17-08-2017   কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার গৌতম পাল/Bartaman 14-08-017  বাংলা মাধ্যমের স্বার্থ দেখতে চাপ বাড়ল রাজ্যের উপর তামিলনাড়ু ১ বছর নিটের বাইরে, সায় দিল কেন্দ্র, আসছে অর্ডিন্যান্স/ডাক্তারি পাঠ্যক্রমের মানচিত্রে নিজভূমে পরবাসী বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা ! এই সময় , Tue, 25 Jul 2017/নিট: রাজ্য সরকারি মেডিকেল কলেজে বাংলা মাধ্যম পড়ুয়ারা পেলেন মাত্র ৭ শতাংশ আসন/মেডিকেলে ভরতির ভেরিফিকেশনের নামে তিন কলেজে চরম বিশৃঙ্খলা, ক্ষুব্ধ পড়ুয়া ও অভিভাবকরা শুক্রবার ১৪ জুলাই ২০১৭ /2 of 3 state NEET qualifiers clear counselling cut-off , Jul 14, 2017/কলকাতা – বাংলার ডাক্তারি পড়ুয়াদের বঞ্চিত করছে খোদ মমতারই দফতর

Bartaman patrika

05-09-2017

ডোমিসাইল ইস্যুতে আদালতের
দ্বারস্থ রাজ্যের পড়ুয়ারা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবিলম্বে ডোমিসাইল ফরম বি পূরণ করে রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল ও ডেন্টাল আসনে ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের ভরতি বাতিলের আরজি জানিয়ে মামলা হল কলকাতা হাইকোর্টে। আইনজীবী মহম্মদ আলাউদ্দিন মণ্ডল ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রের বেঞ্চে এই মামলা করেছেন। বাংলার ছ’জন নিট পরীক্ষার্থী এই মামলা করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের কথা উল্লেখ করে অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের ভরতির ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার সিঙ্গল ডোমিসাইল নীতি না মেনে ভিন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের ভরতি করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন মামলাকারীদের আইনজীবী। এখানকার বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে যেভাবে ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের ভরতি করা হয়েছে, তা সংবিধানবিরোধী বলে জানানো হয়েছে মামলাকারীর আরজিতে।
সংবাদে প্রকাশ, ৭৩১ জন ভিন রাজ্যের ছেলেমেয়ে এখানকার আসনে ভরতির কাউন্সেলিং-এ অংশ নেন এবং তার মধ্যে ১৬০ জন ডাক্তারি আসন দখল করেছে। অভিযোগ, গোটাটাই হয়েছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অদূরদর্শিতায়। নিট-এর ফল বেরনোর পর কাউন্সেলিং ও ভরতির আগে ‘ডোমিসাইল ফরম-বি’ পূরণ করিয়ে ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের এখানকার ডাক্তারি আসনে ভরতির সুযোগ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বাস্থ্য দপ্তর। তুমুল বিতর্ক সত্ত্বেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন স্বাস্থ্য দপ্তরের মেডিকেল এডুকেশন শাখার ডাক্তাররা। এখানকার বহু ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবক-অভিভাবিকার অভিযোগ ছিল, একেই এবার আলাদা প্রশ্নপত্র হওয়ায় খারাপ ফল হয়েছে। তার মধ্যে নিজের রাজ্যের স্বার্থ না দেখে ভিন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের ডেকে ডেকে এনে ভরতি করা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশমতো সিঙ্গল ডোমিসাইল নিয়মকানুন মানা হয়নি। অথচ গুজরাতসহ বহু রাজ্যই নিজেদের রাজ্যের ছেলেমেয়েদের স্বার্থের কথা ভেবে ‘ফরম বি’ পূরণের সুযোগই দেয়নি।

                        Bartaman patrika

03-09-2017

বাংলার ১৬০টি ডাক্তারি আসনে ভরতির সুযোগ পেলেন ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা !

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা :  রাজ্যের মেডিকেল ও ডেন্টাল আসনে ভরতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল! জানা গেল, এই শিক্ষাবর্ষে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের বঞ্চিত করে নিট পাশ ভিন রাজ্যের ১৬০ ছাত্রছাত্রীকে এখানকার মেডিকেল ও ডেন্টাল আসনে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তার (শিক্ষা) নির্দেশেই এই কাজ হয়েছে। যদিও তাঁর দাবি, সিদ্ধান্ত ছিল ওপরমহলের।

সূত্রের খবর, ৭৩১জন ভিন রাজ্যের ছেলেমেয়ে এখানকার আসনে ভরতির সুযোগ চেয়ে কাউন্সেলিং-এ অংশ নেন। তার মধ্যে ১৬০জন রাজ্যের ডাক্তারি আসন দখল করেছেন। এবং অভিযোগ, গোটাটাই হয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অদূরদর্শিতায়। দপ্তরের একাধিক শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, নিট-এর ফল বেরনোর পর কাউন্সেলিং ও ভরতির আগে ‘ডোমিসাইল ফরম-বি’ পূরণ করিয়ে ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের এখানকার ডাক্তারি আসনে ভরতির সুযোগ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বাস্থ্য দপ্তর। তা নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়। বাংলার বহু ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবক-অভিভাবিকা অভিযোগ করেন, একেই এবার আলাদা প্রশ্নপত্র হওয়ার জন্য খারাপ ফল হয়েছে। তার মধ্যে নিজের রাজ্যের স্বার্থ না দেখে ভিন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের ডেকে এনে ভরতি করানোর কোনও মানে হয়! অথচ গুজরাতসহ বিভিন্ন রাজ্য নিজের রাজ্যের ছেলেমেয়েদের স্বার্থের কথা ভেবে ‘ফরম বি’ পূরণের সুযোগই দেয়নি।

এই হঠকারি সিদ্ধান্তের জন্য ওই ১৬০টি আসনে একদিকে যেমন এই রাজ্যের ছেলেমেয়েরা ভরতি হতে পারলেন না, তেমনই ভরতি হওয়া ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরাও বড়সড় সমস্যা মধ্যে পড়তে পারেন। এমনটাই আশঙ্কা করছে তথ্যভিজ্ঞ মহল। কারণ, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্প্রতি ডোমিসাইল ইস্যুতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে। মধ্যপ্রদেশের একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই রায়ের জেরে সেখানকার সমস্ত মেডিকেল ও ডেন্টাল আসনে ভরতি ও কাউন্সেলিং বাতিল করে দিয়েছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। মামলাতে শীর্ষ আদালত মধ্যপ্রদেশে নতুন করে কাউন্সেলিং চালু করতে বলেছে। সিঙ্গল ডোমিসাইল রুলের পক্ষে রায় দেয় শীর্ষ আদালত।
এই রায়কে হাতিয়ার করে শীঘ্রই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা চিন্তা করছেন বাংলার বহু ছাত্রছাত্রী। সেক্ষেত্রে বলাই বাহুল্য, তাঁরা ১৬০টি আসনে ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের ভরতি বাতিলের দাবি জানাবেন। অন্যদিকে ‘ডেমিসাইল ফরম বি’ পূরণ করে ইতিমধ্যে রাজ্যের মেডিকেল ও ডেন্টাল আসনে ভরতি ছাত্রছাত্রীদের একাংশ জানিয়েছেন, তেমনটা হলে তাঁরাও পালটা মামলায় যাবেন। এক্ষেত্রে নতুন করে ছাত্রছাত্রী ভরতির সম্ভাবনাও ক্ষীণ। কারণ, শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ৩১ আগস্টের মধ্যে মেডিকেলে ও ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডেন্টাল কলেজে ভরতি সম্পূর্ণ করতে হবে। মেডিকেলে ভরতির তারিখ পার হয়ে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে অনেকের আশঙ্কা, পুরো ভরতি প্রক্রিয়াটাই আবার মধ্যপ্রদেশের মতো বাতিল হয়ে যাবে না তো?

রা঩জ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা (শিক্ষা) ডাঃ দেবাশিস ভট্টাচার্য স্বীকার করেন, ডোমিসাইল ফরম বি’র মাধ্যমে এবার ভিন রাজ্যের ১৬০জন ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রী এখানে ভরতি হয়েছেন। যদিও তিনি দাবি করেন, ‘ফরম বি’ পূরণ করানোর সিদ্ধান্ত সরকারের শীর্ষস্তরের। এটি আমার নিজস্ব সিদ্ধান্ত নয়।

প্রসঙ্গত, এরাজ্যে বসবাস করেন না, অথচ বাবা বা মা এখানকার বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে ভরতি হতে চান— এমন ছাত্রছাত্রীদের জন্য ‘ডেমিসাইল ফরম বি’র মাধ্যমে ৭ জুলাই ভরতির দরজা উন্মুক্ত করে দেয় স্বাস্থ্যভবন। যদিও অভিযোগ, গত ক’বছরে এ ফরম পূরণ আর হয় না। তাছাড়া এই নিয়ম সংবিধানের ‘ইকুয়াল রাইট’ সংক্রান্ত ১৪ নং ধারার বিরোধী। ফরম বি অনুযায়ী, কোনও ছাত্রছাত্রী এ রাজ্যের বাসিন্দা না হলেও, তাঁর বাবা বা মা অথবা বাবা ও মা এরাজ্যে ১০ বছর বা তার বেশি বসবাস করলে, ছেলেমেয়ে এ রাজ্যের ডাক্তারি আসনে ভরতির সুযোগ পাবেন।

                                      Bartaman

                                      17-08-2017

 

কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 

২০১৭ থেকেই সারা ভারতে স্নাতক চিকিৎসা শিক্ষাক্রমের (এমবিবিএস এবং বিডিএস) ভরতিতে নিট (NEET) স্নাতক-২০১৭ (The National Eligibility cum Entrance Test-UG) পরীক্ষার মেধাক্রম অনুসৃত হচ্ছে। এমসিআই (Medical Council of India) এবং ডিসিআই’য়ের (Dental Council of India) নিয়ন্ত্রণাধীন ভারতের ৪৭০টি মেডিকেল এবং ৩০৮টি ডেন্টাল কলেজ নিট-স্নাতক পরীক্ষার মেধা-ক্রমাঙ্ক অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভরতি করতে শুরু করেছে। আমাদের রাজ্যের ১৭টি মেডিকেল (১৪টি সরকারি এবং ৩টি বেসরকারি) এবং ৫টি ডেন্টাল (৩টি সরকারি এবং ২টি বেসরকারি) কলেজ এই নিয়মের আওতায় রয়েছে। কিন্তু, ভিন্ন আইনে স্থাপিত হওয়ার অজুহাতে AIIMS, PGIMER (চণ্ডীগড়), এবং JIPMER (পুদুচেরি)কে নিটের বাইরে রাখা হয়েছে। নিট কার্যকরী হওয়ার ফলে এই বছর থেকেই পশ্চিমবঙ্গসহ সমস্ত রাজ্যের এবং কিছু মেডিকেল কলেজের নিজস্ব প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে এবং কেন্দ্রের AIPMT (All India Pre Medical Test) মাধ্যমে এমবিবিএস এবং বিডিএস শিক্ষাক্রমে ভরতির প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে। সারা ভারতে ৬৫,১৭০টি এমবিবিএস এবং ২৫,৭৩০টি বিডিএস শিক্ষাক্রমের আসনের জন্য মোট ১০,৯০,০৮৫ জন দ্বাদশ শ্রেণি মানের ছাত্র-ছাত্রী (পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৬,০০০) নিট-স্নাতক ২০১৭-র পরীক্ষায় বসেছিল। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬,১১,৫৩৯ জন ছাত্র-ছাত্রী। সামগ্রিকভাবে নিট পরীক্ষায় বসা পশ্চিমবাংলার সমস্ত মেডিকেল শিক্ষাক্রম প্রত্যাশী ছাত্র-ছাত্রী, বিশেষ করে বাংলা মাধ্যমের প্রায় ৪০,০০০ ছাত্র-ছাত্রীর সাফল্য আশাব্যঞ্জক হয়নি। এদের মধ্যে যারা মেধা-তালিকায় স্থান পেয়েছে তাদের গড় অবস্থান মেধা তালিকার অনেক পিছনে। মেডিকেল এবং ডেন্টাল কলেজগুলিতে আমাদের রাজ্যের ছেলে-মেয়েদের ভরতির সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। কেন্দ্রীয় সরকারের দুরভিসন্ধি এবং নিট (স্নাতক) পরীক্ষা পদ্ধতিতে ইচ্ছাকৃত গাফিলতির জন্য আমাদের রাজ্যের অত্যন্ত গৌরবপূর্ণ ১৮০ বছরের চিকিৎসা শিক্ষার ইতিহাসে এই প্রথম গ্রামবাংলার অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা চিকিৎসা শিক্ষাক্রম থেকে বঞ্চিত হতে চলেছে। সুকৌশলে রাজ্যের শিক্ষা সংক্রান্ত সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।

নিট পরীক্ষার মূল লক্ষ্য ছিল এমবিবিএস এবং বিডিএস স্নাতক শিক্ষাক্রমের ভরতিতে স্বচ্ছতা এনে (মেধামানের ভিত্তিতে) চিকিৎসা শিক্ষাক্রমের উৎকর্ষ এবং চিকিৎসকদের দক্ষতার গুণমান বৃদ্ধি করা। কারণ, মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বঞ্চিত করে ম্যানেজমেন্ট কোটায় যথেচ্ছ টাকার বিনিময়ে অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের এমবিবিএস/বিডিএস আসন পাইয়ে দেওয়ার ভূরি ভূরি অভিযোগ, মূলত বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলির বিরুদ্ধে ছিল। মেধা গৌণ হয়ে পড়েছিল, টাকা থাকলে চিকিৎসক হওয়া যেত। এই ধরনের বিচ্যুতি সংশোধনের উপায় হিসাবে তৎকালীন ইউপিএ সরকারের নির্দেশে এমসিআই নিট প্রচলনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ২০১২ সালে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গসহ অন্যান্য কয়েকটি রাজ্য যেমন গুজরাত, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে প্রবল বাধা আসে কতকগুলো সংগত কারণেই। কারণগুলোর মধ্যে অন্য‌তম ছিল এমসিআই-এর পাঠ্যক্রম এবং রাজ্যগুলির দ্বাদশ শ্রেণিমানের পাঠ্যক্রমের (বায়োলজি, ফিজিক্স এবং কেমিস্ট্রির) ভিন্নতা। তা-সত্ত্বেও এমসিআই এবং সিবিএসই ২০১৩ সালের ৫ মে নিট পরীক্ষা নেয় স্নাতক (এবং স্নাতকোত্তর) চিকিৎসা শিক্ষাক্রমে ভরতির জন্য। কিন্তু কয়েকটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করা হয় এমসিআই-এর বিরুদ্ধে কলেজগুলির ভরতির স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের জন্য। সম্মানীয় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশান বেঞ্চ ২০১৩ সালের ১৮ জুলাই নিট রেজাল্টের মাধ্যমে সারা ভারতে মেডিকেল কলেজগুলিতে এমবিবিএস এবং বিডিএস স্নাতক শিক্ষাক্রমে ভরতির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। ডিভিশান বেঞ্চ বলেন এমসিআই কলেজগুলির ভরতির প্রচলিত পদ্ধতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। ফলত রাজ্যের সরকারি এবং বেসরকারি চিকিৎসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে এমবিবিএস এবং বিডিএস শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীরা ভরতি হয় রাজ্যগুলির নিজস্ব নিয়মে। এমনকী সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞার ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে সিবিএসই পূর্ব-প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী ২০১৪ সালের ৪ মে AIPMT পরীক্ষাও গ্রহণ করে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের পাঁচজন বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত সাংবিধানিক বেঞ্চ ২০১৬ সালের ১১ এপ্রিল এমসিআই এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেন সারা দেশে একটি সাধারণ (Common) যোগ্যতা নির্ণায়ক প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমেই দেশের সমস্ত মেডিকেল এবং ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস এবং বিডিএস স্নাতক শিক্ষাক্রমের সমস্ত আসনে শিক্ষার্থী ভরতি করতে হবে। সম্মানীয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক এমসিআই ২০১৬-তে এমসিআই আইন (১৯৫৮) সংশোধন করে। এই সংশোধিত এমসিআই আইন (২০১৬) অনুসারে কেন্দ্রের AIPMT এবং রাজ্যগুলির নিজস্ব প্রবেশিকা পরীক্ষার পরিবর্তে ২০১৭ থেকেই আবশ্যকীয়ভাবে নিট পরীক্ষা প্রচলিত হয়েছে সারা দেশে এমবিবিএস এবং বিডিএস স্নাতক শিক্ষাক্রমে ভরতির জন্য।

সিবিএসইর AIPMT পরীক্ষা গ্রহণের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকায় এমসিআই এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সুপারিশে সিবিএসই-কেই নিটের মতো একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর প্রবেশিকা পরীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, নিট প্রবেশিকা পরীক্ষার একটি অন্যতম প্রধান শর্ত হওয়া উচিত ছিল সমস্ত রাজ্যের এবং এমসিআই-এর নিট পাঠ্যক্রমের মধ্যে সমরূপতা। রাজ্যগুলির দ্বাদশ শ্রেণিমানের বায়োলজি, ফিজিক্স এবং কেমিস্ট্রির পাঠ্যক্রম এবং এমসিআই কৃত এই সব বিষয়ের নিট পাঠ্যক্রমের মধ্যে বহুলাংশেই ভিন্নতা রয়েছে। আবার MCI যেহেতু NCERT-র পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে, তাই নিট পাঠ্যক্রমের সঙ্গে NCERT-র পাঠ্যক্রম অনুসরণকারী কেন্দ্রীয় বোর্ডগুলির দ্বাদশ শ্রেণিমানের বায়োলজি, ফিজিক্স এবং কেমিস্ট্রি পাঠ্যক্রমের মধ্যে সমরূপতা রয়েছে। নিটের দ্বিতীয় প্রধান শর্ত হওয়া উচিত ছিল প্রশ্নপত্রের অভিন্নতা। কিন্তু এবারের নিট পরীক্ষায় ইংরেজি বা হিন্দি ভাষায় মুদ্রিত প্রশ্নপত্র বাংলা এবং অন্যান্য দু-একটি রাজ্য ভাষায় মুদ্রিত প্রশ্নপত্রের থেকে ভিন্ন ছিল। শুধু তাই নয়, বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রশ্নাবলী ইংরেজি ভাষায় মুদ্রিত প্রশ্নাবলীর থেকে শক্ত ছিল। প্রথমত পাঠ্যক্রমের, এবং দ্বিতীয়ত প্রশ্নের ভিন্নতার কারণে আমাদের রাজ্যের বাংলা মাধ্যমের গরিষ্ঠ সংখ্যক পরীক্ষার্থী নিট প্রবেশিকায় অভূতপূর্বভাবে পিছিয়ে পড়েছে। সিবিএসই-র এই হঠকারী কৌশলের কারণে শুধুমাত্র নিটের প্রকৃত উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়নি, ব্যর্থ হয়েছে সম্মানীয় সুপ্রিম কোর্টের মহৎ উদ্দেশ্যও।
আমাদের রাজ্যে এমবিবিএস এবং বিডিএস শিক্ষাক্রমে মোট আসন সংখ্যা যথাক্রমে ২৪৫০ এবং ৪৫০। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রের মোট আসনের ৮৫ শতাংশ রাজ্য এবং ১৫ শতাংশ সেন্ট্রাল কোটার এক্তিয়ারভুক্ত। অর্থাৎ ৮৫ শতাংশ রাজ্য কোটায় কেবল আমাদের রাজ্যের নিট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই ভরতি হওয়ার দাবিদার। নিট মেধা তালিকায় র‌্যাংক এবং ডমিসাইল শংসাপত্রের বিবেচনার ভিত্তিতেই আমাদের রাজ্যের শিক্ষার্থীরা এমবিবিএস এবং বিডিএস শিক্ষাক্রমে ভরতি হতে পারবে। কিন্তু আমাদের রাজ্যের দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষত বাংলা মাধ্যমের ছাত্র-ছাত্রীদের বর্তমান বছরে নিট প্রবেশিকায় অভূতপূর্বভাবে খারাপ ফল হওয়ায় ৮৫ শতাংশ রাজ্য কোটায় সব আসনে আমাদের রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীরা ভরতি হওয়ার দাবিদার হবে না। যদিও এই সংখ্যাটা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবুও অনুমান করা যাচ্ছে এই সংখ্যা ২০-৩০ শতাংশ-এর বেশি হবে না। ফলে মেধা তালিকার উপরের দিকে থাকা ভিন রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা আমাদের রাজ্যের কোটায় আমাদের রাজ্যের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলিতে সিংহভাগ আসন দখল করে নিতে চলেছে। এটি অত্যন্ত অন্যায়। কারণ, আমাদের রাজ্যের মেডিকেল কলেজগুলি অধিকাংশই সরকারি। অর্থাৎ রাজ্য পোষিত। সরকারি মেডিকেল এবং ডেন্টাল কলেজগুলির পরিকাঠামো, যন্ত্রপাতি, শিক্ষকদের বেতন এবং ছাত্রদের লেখাপড়ার খরচ পুরোপুরিই সরকার বহন করে। কেন্দ্রীয় অনুদান আসে যৎসামান্য। অথচ নতুন নিয়মে ভিন্ন-রাজ্যের ছেলেমেয়েদের চিকিৎসক তৈরি করার জন্য আমাদের রাজ্যের সরকার টাকা খরচ করবে। আমাদের রাজ্যের ছেলে-মেয়েদের প্রতি এটি এক ধরনের প্রবঞ্চনা। এটি অবশ্যই শিক্ষায় রাজ্য ও কেন্দ্রীয়, উভয় সরকারেরই যৌথ সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।

২০১৬ পর্যন্ত আমাদের রাজ্যে স্নাতক চিকিৎসা শিক্ষাক্রমে ভরতির জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা নির্বাচিত হত ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশান বোর্ড (WBJEEB) পরিচালিত প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে। রাজ্যের জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড স্থাপিত হয়েছিল ১৯৬২ সালে ভারতীয় সংবিধানের (১৯৪৯) ১৬২ নং বিধি (বা ধারা) অনুসারে। অতি সম্প্রতি (২০১৪ সালে) জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডটি রাজ্য আইনেই (XIV, ২০১৪) একটি স্বশাসিত সংস্থায় রূপান্তরিত হয়। স্থাপনকাল থেকে শুরু করে ২০১৬ পর্যন্ত জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড অত্যন্ত দক্ষভাবেই আমাদের রাজ্যের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদদের অকৃপণ সাহায্য এবং পরামর্শে ৮৫ শতাংশ রাজ্য-কোটায় প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ছাত্র-ছাত্রীদের নির্বাচিত করেছে চিকিৎসা শিক্ষাক্রমে ভরতির জন্য। একটিবারের জন্যও কোনও প্রকার অস্বচ্ছতা ধরা পড়েনি। অবশ্যই প্রবেশিকার সিংহভাগ পাঠ্যক্রম ছিল রাজ্যের দ্বাদশ শ্রেণিমানের পাঠ্যক্রমের সমরূপ এবং কিছুটা অ্যাডভান্সড। অথচ হঠাৎই রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডকে রাজ্য কোটায় চিকিৎসা শিক্ষাক্রমে ছাত্র-ছাত্রী বাছাইয়ের দায়িত্ব না দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের সংবিধান প্রদত্ত অধিকার (১৬২ ধারা অনুসারে) খর্ব করল।

নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে। বিজ্ঞানের বিষয়গুলির পাঠ্যক্রম কিন্তু কোনও একটি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে প্রণয়ন বা সংশোধন করা হয় না। পাঠ্যক্রম তৈরি করা হয় কতকগুলি শর্তের ওপর নির্ভর করে, যথা বিজ্ঞানের বিষয়গুলির অগ্রগতি (advancement) স্কুলের পরিকাঠামো, পরীক্ষাগারের গুণগত মান এবং যন্ত্রপাতির প্রাচুর্য, ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থ-সামাজিক এবং বুদ্ধিমত্তার গড় মান শিক্ষক-শিক্ষিকাদের গুণমান প্রভৃতি। কেবল মেধাবী কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রীকে নিটে চান্স পাইয়ে দেওয়া কোনও পাঠ্যক্রমের একমাত্র উদ্দেশ্য হতে পারে না। পাঠ্যক্রম রচনার/সংশোধনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানের ছাত্র-ছাত্রীদের কথাও ভাবতে হয়। সেই কারণে দ্বাদশ শ্রেণিমানের যে কোনও বিষয়ের পাঠ্যক্রম তৈরি বা সংশোধনে রাজ্যকে (উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদকে) উপরের শর্তগুলি মাথায় রেখে একটি ভারসাম্যযুক্ত পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হয়। তাছাড়া রাজ্যের পাঠ্যক্রমগুলি কেমন হবে তা MCI বা NCERT বা কেন্দ্রীয় সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক কোনও প্রকার নির্দেশ দিতে পারে না, কেবল উপদেশ দিতে পারে। এটি পুরোপুরি রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত।

সিবিএসইর নিট আয়োজনে দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং অস্বচ্ছতার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার তার দায়িত্ব অস্বীকার করতে পারে না। নিট পরীক্ষাগ্রহণের মূল শর্তগুলিকে উপেক্ষা করে আগামী বছর এইভাবে নিট পরীক্ষা নেওয়া হলে আমাদের রাজ্যের বাংলা মাধ্যমের গরিষ্ঠ সংখ্যক ছাত্রছাত্রী আবারও বঞ্চিত হবে। প্রশাসনিক এবং সাংবিধানিক স্তরে এইরূপ বঞ্চনার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করা উচিত এখন থেকেই। বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে শিক্ষক নিয়োগে ইউজিসি-’NET’-এর সমতুল্য পরীক্ষা ‘SET’ কলেজ সার্ভিস কমিশন আয়োজন করে। এই মডেলে বিকল্প হিসাবে এমসিআই -এর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে রাজ্যের জয়েন্ট বোর্ডের মাধ্যমে নিটের সমতুল একটি পরীক্ষার আয়োজনের প্রস্তাবও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পেশ করা যেতে পারে। সমস্ত বিষয়েই রাজ্যের সাংবিধানিক অধিকারগুলি ধীরে ধীরে শিথিল হচ্ছে কেন্দ্রের অতিকেন্দ্রিকতায়। একটি সর্বজনীন প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধ দরকার। তা না হলে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য সহ রাজ্যের সাংবিধানিক অধিকারগুলির নিয়ন্ত্রণ আগামী দিনে রাজ্যের হাতে আর থাকবে না। সমস্ত সিদ্ধান্ত দিল্লিই নেবে।

লেখক কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

 

Bartaman

14-08-017

 বাংলা মাধ্যমের স্বার্থ দেখতে চাপ বাড়ল রাজ্যের উপর
তামিলনাড়ু বছর নিটের বাইরে, সায় দিল কেন্দ্র, আসছে অর্ডিন্যান্স

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা এবং পিটিআই: অভিন্ন মেডিকেল পরীক্ষা বা নিট ইস্যু

নিয়ে ঘটনাক্রম চাঞ্চল্যকর মোড় নিল রবিবার। তামিলনাড়ুকে এক বছরের জন্য

নিটের বাইরে রাখার পক্ষে সায় দিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্মলা

সীতারমণ জানিয়ে দিলেন, অর্ডিন্যান্স আনলে তামিলনাড়ুর এই সিদ্ধান্তকে মেনে

নেবে কেন্দ্র। সীতারমণ জানান, নিটে তামিলনাড়ু রাজ্য বোর্ডের ছাত্রছাত্রীরা

কৃতকার্য হলেও গ্রামীণ এলাকার ছেলেমেয়েরা সেই ফল করতে পারেনি। সূত্রের

খবর, এ বছরই তামিলনাড়ুর সরকারি মেডিকেল কলেজগুলির ক্ষেত্রে এই নিয়ম

কার্যকর হতে পারে। প্রাইভেট কলেজগুলি অবশ্য এর বাইরে থাকবে।

এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সেখানকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সি

বিজয়ভাস্কর জানিয়েছেন, আজ, সোমবার এ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্স কেন্দ্রীয়

সরকারের কাছে পেশ করা হবে। নিট ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অন্যান্য

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী কে পালানিস্বামী, অন্যান্য মন্ত্রী এবং

লোকসভার ডেপুটি স্পিকার এম থাম্বিদুরাই প্রমুখের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পরই এই

সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

এদিকে কেন্দ্র তামিলনাড়ুর নিটের বাইরে থাকার সিদ্ধান্তের পক্ষে সায় দেওয়ায়

রীতিমতো চাপে পড়ে গেল পশ্চিমবঙ্গসহ অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষায় অভিন্ন

মেডিকেলে অংশ নেওয়া রাজ্যগুলি। এবার হিন্দি ও ইংরেজি ছাড়া আরও আটটি

আঞ্চলিক ভাষায় নিট দিয়েছিলেন লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী। সেগুলি হল বাংলা, ওড়িয়া,

অসমিয়া, কন্নড়, তামিল, গুজরাতি, মারাঠি ও তেলেগু। প্রসঙ্গত, তামিলানাড়ু

সঙ্গে সম্মিলিতভাবে রাজ্যের সংসদ সদস্যরাও নিটের প্রশ্নপত্র, নিট নিয়ে আঞ্চলিক

ভাষার ছাত্রছাত্রীদের ভোগান্তি ইত্যাদি নানা সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন

দিল্লিতে। নিটে নিজের রাজ্যের ছেলেমেয়েদের করুণ দশা দেখে তামিলনাড়ু বেশ

কিছুদিন ধরে গুছিয়ে এগচ্ছিল। তারা নিটের বাইরে থাকার জন্য বিধানসভায় দুটি

বিলও এনে ফেলেছে। অথচ সেদিক থেকে বলতে গেলে পরীক্ষার পরপরই

সাংবাদিক সম্মেলন, পরে সরকারের তরফ থেকে সিবিএসই বোর্ডকে কড়া চিঠি

এবং সাম্প্রতিককালে রাজ্যসভায় হইচই— এছাড়া রাজ্যের ছেলেমেয়েদের স্বার্থে

এখনও পর্যন্ত ইতিবাচক বিশেষ কিছু করা হয়নি রাজ্যের তরফে। অথচ করার

মতো অনেক কিছুই ছিল। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা ভাষা ও

বাংলা বোর্ডের গুরুত্ব বাড়াতে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছেন, সেখানে এই ইস্যুতে

রাজ্যের ছেলেমেয়েদের এতবড় সর্বনাশ হওয়ার পরও স্বাস্থ্যভবন কার্যত হাত

গুটিয়েই আছে এখনও পর্যন্ত। পরের বছরগুলিতে নিটের বাইরে থাকতে বা নিটের

উপযোগী করে তোলার জন্য সময় চাইতে কোনও বিল, অর্ডিন্যান্স কিছুই আনেনি

রাজ্য। আনার উদ্যোগও নেয়নি। উলটে ভিন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের জামাই

আদর করে ডেকে ডোমিসাইল বি ফর্ম পূরণ করিয়ে রাজ্যের আসনগুলিতে পড়ার

সুবিধা করে দিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। কী বলছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা (শিক্ষা)

ডাঃ দেবাশিস ভট্টাচার্য? রবিবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, আমরাও রাজ্যের

ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিষয়টি নিয়ে সরকারের শীর্ষস্তরের পরামর্শ

চাইব।

Bartaman

29-07-2017

বছরের জন্য ছাড় দেওয়া হোক পশ্চিমবঙ্গকে
নিট: প্রধানমন্ত্রীকে আরজি জানিয়ে চিঠি এরাজ্যের পড়ুয়া, শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী পাঁচ বছর নিট চাই না। এই মর্মে আরজি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে চিঠি পাঠালেন রাজ্যের বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী এবং নিট প্রস্তুতির পঠনপাঠনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বৃহস্পতি ও শুক্রবার পাঠানো সেই চিঠিগুলির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকরসহ সংশ্লিষ্ট মহলে। চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব অনিল বর্মা, স্বাস্থ্য অধিকর্তা (শিক্ষা) ডাঃ দেবাশিস ভট্টাচার্যকেও। চিঠিগুলির বক্তব্যের সুর অনেকটা একই। এক, পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে আগামী পাঁচ বছর নিটের বাইরে রাখা। দুই, চিকিৎসা শিক্ষার প্রবেশিকা পরীক্ষায় বয়স যেন কোনওদিন বাধা না হয়ে ওঠে।
প্রতিক্রিয়ায় স্বাস্থ্য অধিকর্তা দেবাশিসবাবু বলেন, নিট নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে একই ধরনের চিঠি আমিও পাঠিয়েছিলাম সিবিএসই বোর্ডকে। কিন্তু তাতে শেষমেশ লাভ কিছু হয়নি। ওরা কী বলে দেখি, তারপর সরকারের শীর্ষমহলে জানাব। সেইমতো সিদ্ধান্ত হবে।
সূত্রের খবর, চিঠিতে বলা হয়েছে, ইন্ডিয়ান মেডিকেল কাউন্সিল আইন (সংশোধিত) বা ‘আইএমসি অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট ২০১৬’ অনুযায়ী ২০১৭ সালে নিট পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। স্বভাবতই সকলে ভেবেছিল, সারা দেশের জন্য বোধহয় একটিই পরীক্ষা হবে। গোটা দেশে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ৩৬টি বোর্ড আছে। প্র঩ত্যেকেরই আলাদা পাঠ্যক্রম। ছাত্রছাত্রীদের ধারণা ছিল, হয়তো প্রতিটি বোর্ডের কমন অংশ নিয়ে নিটের সিলেবাস তৈরি হবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। সিবিএসই নিজের পাঠ্যক্রম চাপিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে নিটের হিন্দি ও ইংরেজি প্রশ্নপত্র তৈরির সময় এনসিইআরটি অনুমোদিত পাঠ্যপুস্তকগুলিকেই মানা হয়েছে। আঞ্চলিক ভাষার পরীক্ষার্থীরা যে প্রশ্নপত্র হাতে পেয়েছিলেন, তার সঙ্গে ইংরেজি প্রশ্নপত্রের মিল ছিল না।
এই অবস্থায় আঞ্চলিক ভাষার পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফলও হয়েছে খুব খারাপ। এমনকী এরাজ্যের বোর্ডের শীর্ষ স্থানাধিকারীরাও অনেকে পরীক্ষায় ভালো ফল করেননি। তাঁরা এখন নিজের রাজ্যের মেডিকেল কলেজগুলি ভরতি হতে পারছেন না।
চিঠিগুলিতে বলা হয়েছে, একাধিক রাজ্য আগামী বছর নিট-এর আওতার বাইরে থাকতে চেয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। আঞ্চলিক দলগুলি প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
তাহলে কি সত্যিই নিটের কোনও প্রয়োজন আছে? চিঠির প্রেরকরা জানাচ্ছেন, প্রয়োজন আছে। কিন্তু সীমিত ক্ষেত্রে। বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলিতে টাকার লেনদেন বন্ধ করতে, স্বাস্থ্যশিক্ষায় দুর্নীতি বন্ধ করতে নিটের প্রয়োজন। সিবিএসই বোর্ড নিটে বয়সসীমা চাপাতে চেয়েছিল। সর্বোচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপে তা আপাতত বন্ধ হয়েছে। কিন্তু কোনওভাবেই যেন ফের তা না চাপানো হয়।

ডাক্তারি পাঠ্যক্রমের মানচিত্রে নিজভূমে পরবাসী বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা ! 

এই সময়

 ডাক্তারি পড়ার পরীক্ষায় বাংলা মাধ্যমের ভরাডুবি

Tue, 25 Jul 2017

           অনির্বাণ ঘোষ  – পশ্চিমবঙ্গের মেডিক্যাল কলেজেগুলোয় এ বার আতসকাচ দিয়ে খুঁজতে হবে বাংলা মাধ্যমের পড়ুয়াদের৷ ডাক্তারি পাঠ্যক্রমের মানচিত্রে নিজভূমে পরবাসী বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা ! অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষার (নিট ) প্রশ্নপত্র এ বার ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় শুধু আলাদাই হয়নি , বাংলা প্রশ্নপত্রের মান ছিল ইংরেজির চেয়ে ঢের বেশি কঠিন৷

এতটাই যে , উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম দশে থাকা মেধাবীরাও অনেকেই টপকাতে পারেননি৷ সোমবার প্রথম দফার কাউন্সেলিংয়ের ফল বেরোনো পর দেখা যাচ্ছে , এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দশে থাকা পড়ুয়াদের অধিকাংশের কাছেই অধরা রইল এমবিবিএস /বিডিএস পড়া৷ স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর , যে ৫৩ জন উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম দশে ছিলেন তাঁদের মধ্যে ৪৬ জন নিটে বসেছিলেন৷ কিন্ত্ত তাঁদের মধ্যে প্রায় ৩০ জনই নিটের গণ্ডি টপকাতে পারেননি আর মাত্র ন ’ জনের নাম উঠেছে মেধাতালিকার ভদ্রস্থ জায়গায়৷ যদিও ওই ন ’জনের মধ্যেও প্রথম দফার কাউন্সেলিং উতরে গিয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দু’-তিন জনের বেশি কেউ পাননি৷ বাদবাকিদের যা র্যাঙ্ক , তাতে যে তাঁরা আদৌ ভর্তির সুযোগ পাবেন পরবর্তী ধাপের কাউন্সেলিংয়ে , এমন আশা কম৷

রাজ্যসভার অধিবেশনে এ নিয়ে সোমবারই সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ’ব্রায়েন৷ যদিও নিটের প্রশ্নপত্রে এই ভাষা -বৈষম্যের প্রসঙ্গে শনিবারই কলকাতায় এসে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর বলেছেন , ‘আগামী বছর থেকে নিটের প্রশ্নপত্র ভাষা নির্বিশেষে অভিন্নই হবে৷ ’ এ বার উচ্চ মাধ্যমিকে সন্তম (মেয়েদের মধ্যে দ্বিতীয় ) হয়েছেন স্বয়ংপ্রভা সাউ৷ তিনি এখন ডাক্তারি পড়ার আশা ছেড়ে গবেষণার কথা ভাবছেন৷ ‘ভোপালের আইআইএসইআরে সুযোগ পেয়ে গিয়েছি৷ তাই ওখানেই চলে যাচ্ছি৷ বাংলা মাধ্যমে পড়েই বোধ হয় কাল হল ,’ হতাশা স্বয়ংপ্রভার গলায়৷ রাজ্যভিত্তিক মেধাতালিকায় ডায়মন্ড হারবার হাইস্কুলের ওই প্রাক্তনীর র্যাঙ্ক ১৬৩১৷ উচ্চ মাধ্যমিকে অষ্টম স্থানাধিকারী তুফানগঞ্জের দেবাশিস সাহার নিটে সর্বভারতীয় র্যাঙ্ক হয়েছে ১,৯০ ,৭৭১৷

তাঁর বাবা দেবপ্রসাদ সাহা বলেন , ‘এত খারাপ র্যাঙ্ক দেখে আর কাউন্সেলিংয়েই আগ্রহ দেখায়নি ছেলে৷ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বে ও৷ ’ দেবাশিসের সঙ্গেই উচ্চমাধ্যমিকে অষ্টম হয়েছে কাঁথির নৌরিন হোসেন৷ নিটে কঠিন বাংলা প্রশ্ন সামাল দিতে না -পারায় তাঁর রাজ্যভিত্তিক নিট র্যাঙ্কিং হয়েছে ১৬৫৩৷ হতাশ তিনিও৷ নৌরিনের বাবা শেখ মফিজল হোসেনের প্রশ্ন, ‘মেয়ের মন ভেঙে গিয়েছে খুব৷ পরীক্ষাটা যদি অভিন্ন প্রবেশিকাই হবে তা হলে কেন ইংরেজি -বাংলা আলাদা হল ? আর কেনই বা বাংলা প্রশ্ন আরও কঠিন হল ?’ নিটের পরই অবশ্য শঙ্কা দেখা দিয়েছিল৷ তার ছায়া ঘন হতে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যভিত্তিক মেধাতালিকা প্রকাশের পরই৷ আর সোমবার দেখা যাচ্ছে , সে আশঙ্কা ষোলো আনা সত্যি প্রমাণিত হয়েছে৷ বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রী , বিশেষ করে যাঁরা বাংলা মাধ্যমেই পরীক্ষা দিয়েছিল নিটে , তাঁদের মধ্যে হাতেগোনা পড়ুয়াই ‘ফার্স্ট লিস্টে ’ ডাক্তারিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে৷ প্রতি বছর যেখানে ৮৫ % রাজ্য -কোটার ডাক্তারি আসন থাকে বাংলা মাধ্যমের কমপক্ষে ৭৫ % পড়ুয়ার দখলে , এ বার সেই ছবিটাই বদলে গিয়েছে আমূল৷ রাজ্য -কোটার অসংরক্ষিত আসনের মধ্যে মাত্র ৮ % আসনেই সুযোগ পেয়েছে বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা৷ বাদবাকি আসনের প্রার্থীরা বাঙালি হলেও মূলত ইংরেজি মাধ্যম স্কুলেরই ছাত্রছাত্রী৷ পিজির প্রাক্তন চিকিত্সক ও বর্তমানে একটি বিখ্যাত টিউটোরিয়ালের কর্ণধার অমিয় মাইতির কথায় , ‘বরাবরই মেধাতালিকার একেবারে শীর্ষে যাঁরা থাকেন , তাঁরাই কলকাতা মেডিক্যাল ও এনআরএস মেডিক্যালে সুযোগ পান৷ কিন্ত্ত প্রথম দফার কাউন্সেলিংয়ের পর দেখা যাচ্ছে , দু’টি কলেজের যথাক্রমে ১৩২ ও ১৩১টি জেনারেল আসনের একটিতেও কোনও বাংলা মাধ্যমের পড়ুয়া সুযোগ পাননি৷

পশ্চিমবঙ্গে গত চার দশকে গড়ে ৭১৭৬ % ডাক্তারি আসন বাংলা মাধ্যমের পড়ুয়াদের দখলে থাকত১৭ -’১৮ শিক্ষাবর্ষে বাংলা মাধ্যমের ১০ % পড়ুয়ার সুযোগ ডাক্তারিতেরাজ্যের প্রথম ২৫০ এমবিবিএস আসনে বাংলা মাধ্যমের জন পড়ুয়াও নেই৷

……………………………………………………………………

তোলপাড় রাজ্যসভানয়াদিল্লি : নিটএর প্রশ্নপত্র নিয়ে তোলপাড় হল রাজ্যসভা৷ বছর পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে ডাক্তারির অভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় শেষ মুহূর্তে প্রশ্নপত্রের ধরন বদলে যাওয়ায় পরীক্ষার্থীদের প্রবল সমস্যায় পড়তে হয়েছে৷ সোচ্চার হন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ব্রায়েন৷ তাঁকে সমর্থন করেন ডিএমকে , এআইএডিএমকে৷

Bartaman

23-07-2017

ছাত্রছাত্রীদের ক্ষোভ, ব্যাকফুটে কেন্দ্র
আগামী বছর আঞ্চলিক ভাষায় শুধু প্রশ্নপত্রের অনুবাদ, নিটবিতর্কে ড্যামেজ কন্ট্রোলে মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লাখো ছাত্রছাত্রীর ক্ষোভ। সেই সূত্রে রাজ্যগুলির ক্ষোভ। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তি পেলেও কেন্দ্রীয় সরকারের উপর মেডিকেলের অভিন্ন এন্ট্রান্স নিয়ে পশ্চিমবঙ্গসহ গোটা দেশের চাপ অনবরত বাড়ছিল। অনেকটা তারই বহিঃপ্রকাশ দেখা গেল শনিবার কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রীর প্রকাশ জাভড়েকরের কথায়। এদিন শহরের একটি পাঁচতারা অনুষ্ঠানে নিট-বিতর্ক নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে দেশজুড়ে নিটের একটিই প্রশ্নপত্র হবে। আঞ্চলিক ভাষাগুলির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অনুবাদ করা হবে প্রশ্নপত্রগুলি।

এ বছর এই ইস্যুতে দেশজুড়ে শোরগোল তৈরি হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যের ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের অভিযোগ ছিল, নামে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান টেস্ট’ হলেও আঞ্চলিক ভাষার প্রশ্নপত্র আলাদা ছিল। দ্বিতীয়ত, হিন্দি ও ইংরেজি প্রশ্নপত্রের তুলনায় কঠিন ছিল বাংলা প্রশ্নপত্র। রাজ্য বোর্ডের ছাত্রছাত্রীদের কড়া প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে, এ নিয়ে জানতে চাওয়া হলে প্রকাশ জাভড়েকর জানান, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। তবে সব জায়গায় প্রশ্নপত্রের ধরন একই ছিল। নিট নিয়ে দেশজুড়ে মেডিকেল পরীক্ষার্থীদের একটা বড় অংশের ক্ষোভ বাড়লেও মন্ত্রী এদিন অভিন্ন পরীক্ষা নিয়ে জোরালো সওয়াল করেন। বলেন, আমি মনে করি না নিট একটি বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি করেছে। তাঁর অভিমত, এ বছর সামগ্রিকভাবে এই পরীক্ষা কেমন হল, তার মূল্যায়ন করে আমরা ইঞ্জিনিয়ারিংয়েও অভিন্ন প্রবেশিকা আনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।

এদিকে, অভিন্ন মেডিকেল নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অস্বস্তি আরও বাড়ল। দু’টি বড় রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মেডিকেলে ভরতির জন্য ন্যাশনাল এন্ট্রান্স কাম এলিজিবিলিটি টেস্টের বাইরে যেতে চাইল। এই তিন রাজ্য হল গুজরাত, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি।

 পুদুচেরি বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে তারা আগামী তিন বছর মেডিকেলে ভরতির মেধাপরীক্ষা নিটের বাইরে থাকতে চায়। রাজ্য বোর্ডের পরীক্ষার মাধ্যমেই ছেলেমেয়েদের ভরতি করতে চায়। সেই সিদ্ধান্তের কথা ইতিম঩ধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্যসভায় তামিলনাড়ুর এমপিরা সম্প্রতি নিটের বাইরে থাকার জন্য জোরালো দাবি তোলেন। এমনকী নিট পরীক্ষায় তাঁদের রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন। এআইডিএমকে-এর এক সদস্য রাজ্যসভায় জানান, তামিলনাড়ুর ৯৮ শতাংশ ছাত্রছাত্রী রাজ্য বোর্ডের সিলেবাসে পরীক্ষা দেন। কিন্তু, নিটের সিলেবাস সিবিএসই ঘেঁষা। এ বিষয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা (শিক্ষা) ডাঃ দেবাশিস ভট্টাচার্য বলেন, খতিয়ে দেখে বলব।

এই সময়

ডাক্তারির প্রবেশিকায় উত্তীণবহু , সুযোগ ১৭ শতাংশের

21-07-2017

অনির্বাণ ঘোষ – ডাক্তারিতে সুযোগ পাওয়ার জন্য সারা দেশে এখন অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষাই (নিট ) একমাত্র মাপকাঠি৷ সে পরীক্ষায় এ রাজ্যের প্রায় ২৭ হাজার ছাত্রছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছেন৷ গড়ে ৫০ পার্সেন্টাইলের বেশি নম্বর পেয়ে তাঁরা সকলেই উতরে গিয়েছেন ন্যূনতম যোগ্যতামান৷ শেষ পর্যন্ত যদিও তাঁদের মধ্যে ১৩ হাজার পড়ুয়াই অংশগ্রহণ করেছেন প্রি -কাউন্সেলিংয়ে৷ বাকিরা ইঞ্জিনিয়ারিং -সহ অন্যান্য পাঠ্যক্রমে ভর্তির জন্য ডাক্তারিতে আগ্রহ দেখাননি৷ কিন্ত্ত ছাত্র -শিক্ষক -অভিভাবকদের একাংশের আক্ষেপ , আগ্রহী ১৩ হাজারের মধ্যেও যে মাত্র হাজার দুয়েক ছেলেমেয়েই ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পাবেন ! শতকরা হিসেবে তা ১৮ শতাংশেরও কম৷ অর্থাত্, যোগ্যতামান উতরে যাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার ছাত্রছাত্রী ডাক্তারি পড়তে আগ্রহী হলেও , আসনের অভাবে তাঁদের মধ্যে প্রায় ১১ হাজারই ডাক্তারি পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রাজ্যে৷ কেননা , এ রাজ্যে বর্তমানে মোট ২৭৫০ ডাক্তারি আসন থাকলেও রাজ্য -কোটায় মাত্র ২০৬৫টি আসনই উন্মুক্ত পশ্চিমবঙ্গের ভূমিপুত্রদের জন্য৷ তাঁদের অনেকেই বলছেন , ‘দক্ষিণ ভারত -সহ দেশের অন্তত আধ ডজন রাজ্যে ডাক্তারি আসন অনেক বেশি৷ সেই সব রাজ্যগুলিতে রাজ্যভিত্তিক মেধাতালিকার প্রায় অর্ধেকই এমবিবিএস কিংবা বিডিএস পাঠ্যক্রমে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়৷ কয়েকটি রাজ্যে তো ৬০ -৭৫ % প্রার্থীই ডাক্তারিতে ভর্তি হয়ে যায় অবলীলায়৷ কিন্ত্ত এ রাজ্যে দীর্ঘ দিন ধরে ডাক্তারি আসন না -বাড়ায় ৮০ শতাংশেরও বেশি উত্তীর্ণের কাছে ডাক্তারিতে ভর্তির সুযোগ অধরাই থেকে যাচ্ছে৷ ’ এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য মহলের আক্ষেপ বেড়েছে অন্তত ৫০০ এমবিবিএস আসন রাজ্য থেকে কমে যাওয়ায়৷ চলতি বছর হলদিয়ার আইকেয়ার (১০০ ) এবং দুর্গাপুরের আইকিউ সিটি (১৫০ ) ও গৌরীদেবী মেডিক্যালে (১৫০ ) এমবিবিএস পাঠ্যক্রমের চলতি শিক্ষাবর্ষে ছাত্রভর্তির অনুমতি দেয়নি মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (এমসিআই )৷

কারণ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের মনে হয়েছে , পর্যান্ত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পারেনি তারা৷ আবার ১০০টি আসন কমেছে সরকারি মেডিক্যাল কলেজেও৷ বছর তিনেক আগে মেদিনীপুর ও উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের আসনসংখ্যা বেড়ে ১০০ থেকে ১৫০ হয়েছিল৷ কিন্ত্ত পরিকাঠামোগত কারণে এই দু’টি মেডিক্যাল কলেজের ৫০টি করে নতুন আসনেও এ বছর ছাত্রভর্তির অনুমতি দেয়নি এমসিআই৷ ফলে সব মিলিয়ে যেখানে এ রাজ্যের ডাক্তারি আসনসংখ্যা ৩২৫০ হতে পারত , সেখানে তা ২৭৫০ -এই আটকে গেল চলতি শিক্ষাবর্ষে৷

এস এস কেএমের প্রাক্তন চিকিত্সক অমিয় মাইতির কথায় , ‘এ তো গোদের উপর বিষফোড়া৷ একে আসন কম , তার উপর তা আরও কমে গেল !’ বর্তমানে তিনি ডাক্তারি প্রবেশিকার একটি কোচিং ইনস্টিটিউটের কর্ণধার৷ অমিয় বলেন , ‘৫০০ আসন না -খোয়ালে মন্দের ভালো হত৷

ডাক্তারি পঠনপাঠনের নিরিখে উন্নত রাজ্যগুলির সঙ্গে ফারাক কমত পশ্চিমবঙ্গের৷ কিন্ত্ত তা হল না !’ ছাত্রছাত্রীদেরও অনেকের আক্ষেপ , কম আসনের কারণে অনেকেই এ বছর ভালো ভাবে নিট উতরে গিয়েও ডাক্তারি পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন৷

বালিগঞ্জের এক ছাত্রীর দিদি আরাধ্যা মুন্সি বলেন , ‘আনরিজার্ভড ক্যাটেগরিতে আমার বোনের রাজ্যভিত্তিক র্যাঙ্ক ১১০০ -র কাছাকাছি৷ কিন্ত্ত জোকা ইএসআইয়ের ১৮টি -সহ রাজ্যে আনরজার্ভড ক্যাটেগরিতে মাত্র ৯৯৯টি আসনই রয়েছে সরকারি কলেজে৷ বেসরকারি কলেজের ব্যয়ভার বওয়ার মতো আর্থিক অবস্থা আমাদের নেই৷ মনে হচ্ছে , অল্পের জন্য এ বছর বোনকে ভর্তি করাতে পারা যাবে না৷ যদি রাজ্যের আসনসংখ্যা একটু বেশি হত !’একই সুর সল্টলেকের বায়োলজির শিক্ষিকা রুবাই ভট্টাচার্যের গলাতেও৷ তিনিও বলেন , ‘কর্নাটকে প্রায় ১২ হাজার , তামিলনাড়ুতে প্রায় ৯ হাজার , অবিভক্ত অন্ধ্রে প্রায় ১০ হাজার , এমনকি তেলেঙ্গানাতেও প্রায় সাড়ে তিন হাজার ডাক্তারি আসন রয়েছে৷ আমাদের যে কেন এত কম !’

স্বাস্থ্যকর্তারা অবশ্য জানাচ্ছেন , দীর্ঘ দিন স্থবির থাকার পর ২০১১ থেকে ধীরে ধীরে আসন বৃদ্ধির কাজ চলছে৷ অদূর ভবিষ্যতেই রাজ্যের ডাক্তারি আসনসংখ্যা কমপক্ষে চার হাজার হয়ে যাবে৷ এই সময় -এর মতপরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ না হলে এমসিআইয়ের সিলমোহর পাওয়া কঠিন৷ অন্য দিকে , মেডিক্যাল কলেজে আসন বাড়ানো একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া৷ অন্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে এই কাজ দেরিতে শুরু হওয়ায় , তার ফল ভুগতে হচ্ছে নিট উত্তীর্ণ পড়ুয়াদের৷ তবে আশার কথা , মেডিক্যাল কলেজে আসন বৃদ্ধির জন্য রাজ্য সরকার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মতোই এগোচ্ছে৷ ফলে , আগামী দিনে এই সমস্যার কিছুটা সুরাহা হবেকোথায় কত আসন রাজ্য ও এমবিবিএস বিডিএস মোট আসন (মেডিক্যাল (ডেন্টাল কলেজ ) কলেজ )পশ্চিমবঙ্গ ২২০০ (১৮ ) ৫৫০ (৬) তেলেঙ্গানা ৩২০০ (২৫ ) ৪০০ (৪ ) অন্ধ্রপ্রদেশ ৪১৫০ (৩১ ) ২০৮০ (২৪ ) তামিলনাড়ু ৬১০০ (৪৯ ) ২৮৬০ (২৯ ) কেরল ৩৫৫০ (৩৪ ) ১৯৭০ (২৬) কর্নাটক ৮৩৯৫ (৫৭ ) ৩৪৭০ (৪৬ ) মহারাষ্ট্র ৬৯৪৫ (৫১ ) ৩৩১০ (৩৮ ) গুজরাট ৩৭৮০ (২৪ ) ১২৪০ (১৩ ) ■ দেশে প্রায় ৬০ ,০০০ এমবিবিএস আসন (৪৭৪ টি মেডিক্যাল কলেজ ) এবং ২৮ ,০০০ বিডিএস আসন (৩১০ টি ডেন্টাল কলেজ ) ■ ১৫ % রাজ্য কোটার হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে মোট ডাক্তারি আসন ২০৬৫ (এমবিবিএস ১৭২২ ও ডেন্টাল ৩৪৩ ) বন্ধনীতে সংশ্লিষ্ট রাজ্যে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজের সংখ্যারাজ্যভিত্তিক তুলনা৷

Bartaman

21-07-2017

  নিট: রাজ্য সরকারি মেডিকেল কলেজে বাংলা মাধ্যম পড়ুয়ারা পেলেন মাত্র ৭ শতাংশ আসন

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলা মাধ্যমের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ যে কতটা সংশয়ে ভরা, তা এবছর ডাক্তারিতে ভরতির চূড়ান্ত তালিকা থেকে পরিষ্কার। গত ৪০-৪২ বছরে যা হয়নি, এই শিক্ষাবর্ষে ডাক্তারিতে তাই হতে চলেছে। বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভরতির স্টেট র্যাং কিং প্রকাশ করে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের স্বাস্থ্য শিক্ষা শাখা। তা খতিয়ে দেখে জানা যাচ্ছে, রাজ্যের সমস্ত সরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএসে ভর্তির সুযোগের মাত্র ৭ শতাংশ বাংলা মাধ্যমের ছাত্র-ছাত্রীরা এবার পেতে চলেছেন। এবছর সরকারি মেডিকেল কলেজগুলিতে সাধারণ ক্যাটিগরিতে আসন সংখ্যা রয়েছে, ১০৩৩। তার মধ্যে ঩একশো জনও বাংলা মাধ্যমের ছাত্র-ছাত্রী ভরতি হতে পারবেন কি না সন্দেহ। যেখানে গত বছর পর্যন্তও যত ছাত্র-ছাত্রী পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজে ভরতির সুযোগ পেয়েছেন, তার ৭০-৭২ শতাংশই ছিলেন রাজ্য বোর্ডের বাংলা মাধ্যমের।

এখানেই শেষ নয়। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ডাক্তারিতে ভরতির তালিকায় র্যাং কিংয়ের বিচারে কলকাতা মেডিকেল কলেজের নাম প্রথমে উঠে আসে। সেখানে ১৩২টি আসনে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা ভরতি হতে পারেন। এবছর সেই ১৩২ জনের তালিকায় এখনও পর্যন্ত জানা তথ্য অনুযায়ী একজনও বাংলা মাধ্যমের ছাত্র-ছাত্রী থাকবেন কি না সন্দেহ। এক্ষেত্রেও গত বছর পর্যন্তও সিংহভাগ রাজ্য বোর্ডের বাংলা মাধ্যমের ছাত্র-ছাত্রীরা ভরতির সুযোগ পেয়েছিলেন।

কিন্তু কেন বাংলা মাধ্যমের ছাত্র-ছাত্রীদের এত খারাপ ফলাফল হল? বহু মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী ও তাঁদের শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, প্রধান কারণ এবছরের ‘নিট’ পরীক্ষার হিন্দি ও ইংরেজির তুলনায় আলাদা প্রশ্নপত্র। দ্বিতীয় হল, তুলনায় কঠিন প্রশ্ন। তৃতীয় কারণ হল, বাংলা মাধ্যমের ছাত্রদের ফলাফল খারাপ হয়েছে জেনেও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ‘ফরম বি’ পূরণ করিয়ে ভিন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের এখানকার মেডিকেল কলেজে ঢোকানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছে। চতুর্থত, সিবিএসই বোর্ডের আগ্রাসনের সঙ্গে বাংলা মাধ্যমের ছাত্র-ছাত্রীদের তাল মিলিয়ে না চলতে পারা।

কী বলছে রাজ্য সরকার? রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের স্বাস্থ্য অধিকর্তা (শিক্ষা) ডাঃ দেবাশিস ভট্টাচার্য বলেন, শুধু ডাক্তারির ক্ষেত্রে দোষ ধরলে হবে? ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য ক্ষেত্রে কী হচ্ছে? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। তারপর বড়সড় কোনও পরিকল্পনার দিকে হাত দেওয়া যেতে পারে। আমি মেধাতালিকা খতিয়ে দেখব। আর ফরম বি-র নিয়ম এরাজ্যে বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। যদি যুক্তির কথা বলতে হয়, তবে এটা আগেই কেন বন্ধ হয়নি? অন্য রাজ্য বন্ধ করে দিচ্ছে না কেন? এত কিছুর পরও সব জেনেও অনড় দেবাশিসবাবু।

    Bartaman 

ফরমে জানতে চাওয়া হল, ওজন কত সেন্টিমিটার!
মেডিকেলে ভরতির ভেরিফিকেশনের নামে তিন কলেজে চরম বিশৃঙ্খলা, ক্ষুব্ধ পড়ুয়া ও অভিভাবকরা   শুক্রবার ১৪ জুলাই ২০১৭

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেডিকেলে ভরতির জন্য ‘নিট’ উত্তীর্ণ হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীকে কলকাতায় ডেকে এনে চরম ভোগান্তির মধ্যে ফেলল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের স্বাস্থ্যশিক্ষা শাখা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কলকাতার তিনটি মেডিকেল কলেজে ‘নিট’ উত্তীর্ণ পড়ুয়াদের ভেরিফিকেশন হওয়ার কথা ছিল। কলেজগুলি হল কলকাতা মেডিকেল কলেজ, আর জি কর মেডিকেল কলেজ এবং পিজি হাসপাতাল। সার্ভার ডাউন, কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবকদের বসার জন্য ন্যূনতম জায়গা না থাকা, জলের অভাব, ভুলে ভরা মেডিকেল সার্টিফিকেটের ফরম—এসব দেখে ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকদের মনে হয়েছে, ভেরিফিকেশনের নামে এদিন কার্যত প্রহসন হয়েছে। লম্বা লাইন, তুমুল বিশৃঙ্খলা, ধাক্কাধাক্কি, হাসপাতালের মধ্যে মাইক বাজিয়ে চিৎকারসহ ভোগান্তির পরও শেষমেশ এদিন অসংখ্য ছাত্রছাত্রীর ভেরিফিকেশন হয়নি। ভাবা হয়েছিল, যাঁদের ভেরিফিকেশন বিকাল ৪টের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে, তাঁদের শেষ হতে হতে রাত হয়ে গিয়েছে। মেডিকেল কলেজ এবং পিজি’তে যে ভেরিফিকেশন বিকাল ৪টের সময়ে শেষ হওয়ার কথা, তা রাতে এই খবর লেখা পর্যন্ত চলেছে।

বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ সূত্রের খবর, কাজের গোড়াতেই গলদ ছিল। অন্যান্য রাজ্য যেখানে ‘নিট’ উত্তীর্ণ ছেলেমেয়েদের মেধাতালিকা প্রকাশ করে ফেলেছে, সেখানে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর মেধাতালিকা প্রকাশ না করে উলটোপথে হাঁটা শুরু করে। এ রাজ্য থেকে প্রায় ৩৫-৩৬ হাজার ছেলেমেয়ে ‘নিট’ র্যাং কিং করেছে। তাঁদের মেধাতালিকা প্রকাশ না করার অর্থ হল, হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীকে (যাঁদের একটা বড় অংশই শেষমেশ এ রাজ্যের মেডিকেল আসনে ভরতির সুযোগ পাবেন না) কলকাতায় ডেকে এনে হয়রানির মধ্যে ফেলা। এদিন আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ১,৩৫০ জন, পিজি’তে ১,৫০০ জন এবং মেডিকেল কলেজে ১,৪০০ ছাত্রছাত্রীকে ভেরিফিকেশনের জন্য ডাকা হয়েছিল। তাঁদের বেশিরভাগের সঙ্গেই অভিভাবকরা এসেছিলেন। ফলে প্রতিটি মেডিকেল কলেজের অ্যাকাডেমিক বিল্ডিংয়ের সামনে ছিল গিজগিজে ভিড়। বসার জায়গা নেই। পানীয় জলেরও কোনও বন্দোবস্ত নেই। তারমধ্যে আর জি করের মতো জায়গায় আবার কাউন্সেলিং শুরু হয়েছে এক ঘণ্টা দেরিতে। ফলে বহু ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক পড়েন ফাঁপরে। যাঁরা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি থেকে এসেছেন এবং যাঁদের এদিন ভেরিফিকেশন হয়নি, তাঁরা কি আবার বাস, ট্রেন বা প্লেনের টিকিট কেটে উত্তরবঙ্গে ফিরে যাবেন? তারপর ১৯ তারিখের মধ্যে গ্যাঁটের কড়ি খরচ করে ফের আসবেন? নয়তো ক’দিন কলকাতায় কোনও হোটেলে থাকবেন বা আত্মীয়-বন্ধুদের অনুরোধ করবেন, আপাতত থাকার ব্যবস্থা করে দিতে? এসব প্রশ্নই ঘুরপাক খেয়েছে সারাদিন। ছাত্রছাত্রী মহলের আরেক অংশের বক্তব্য, স্বাস্থ্য দপ্তরের জারি করা মেডিকেল সার্টিফিকেটের ফরম ভুলে ভরা। সংশ্লিষ্ট ছাত্র বা ছাত্রীর স্টেট র্যাং কিং কত, জানতে চাওয়া হয়েছে। এই র্যাং কিং এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার প্রকাশ করেনি। ফরমে ছাত্রছাত্রীদের ওজন কত সেমি, জানতে চাওয়া হয়েছে। এই অংশটি দেখে বহু ছাত্রছাত্রীর মধ্যে হাসির রোল ওঠে। পিজি’তে ভেরিফিকেশনে অংশ নিয়েছেন, এমন এক ছাত্রের অভিভাবক বলেন, দু’দফায় ভেরিফিকেশনের জন্য ডাকা হয়েছিল। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা এবং বেলা ১টা থেকে বিকাল ৪টে অবধি তাত হওয়ার কথা ছিল। সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়ার জন্য প্রথম পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের অনেকেরই ভেরিফিকেশন শেষ হয় বিকেল ৪টে নাগাদ। পরের পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের ভেরিফিকেশন শেষ হতে হতে সন্ধ্যা ৬টা বেজে যায়। প্রয়োজনের তুলনায় টেবিলের সংখ্যা অনেক কম ছিল। বসার জায়গা, জল তো ছিলই না। চরম বিশৃঙ্খলা হয়েছে। এদিনের ভেরিফিকেশনের পর আবার ওই ‘ম্যানুয়েল রিসিপ্ট’ নিয়ে ১৯ তারিখের মধ্যে একদিন হাজির হতে হবে। তবেই সেটা অনলাইনে তোলা যাবে। উত্তরবঙ্গ এবং দূরবর্তী জেলার ছেলেমেয়েরা কি তাহলে আবার আসবেন? এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের স্বাস্থ্য অধিকর্তা (শিক্ষা) ডাঃ দেবাশিস ভট্টাচার্যের মোবাইলে বহুবার ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন তোলেননি।

2 of 3 state NEET qualifiers clear counselling cut-off

Somdatta BasuTNN | Jul 14, 2017

Kolkata: Higher Secondary students have fared better than their counterparts in other boards in the National Eligibility-cum-Entrance Test, given that they account for two-third of the successful candidates from Bengal to have made it to the counselling level.

Among the 55,979 students, who took the national medicine entrance test from Bengal, 27,000 qualified; two-third among them — all from HS schools — have cleared the counselling cut-off. “The cut-off for general candidates is 50%, while that for SC/ST and OBC students is 40%. For physically disabled students, the cut-off is 45%. In the general category, 27,000 students took the test this year and 24,000 among them qualified. Among the total candidates securing the cut-off, two-third are from HS schools,” said a source in the health secretariat.

Citing the reason for the success, experts pointed that candidates from Bengal were this time aware that NEET questions would be on the lines of CBSE curriculum and that the central board would conduct the test. “Earlier, more CBSE or ISC students cracked the national entrance exams as their syllabi are more aligned to the tests. But now, even with the HS Council revamping the curriculum, they do not seem to have that advantage any more,” said Amiya Maity, formerly associated with SSKM Hospital. “Moreover, unlike in the past few years, as there was no confusion over which board would conduct the test, candidates could start preparing well ahead.”
The achievement story, however, does not mean good news for candidates from Bengali-medium HS schools. “They suffered massively. Most of the students who have cleared the NEET counselling cut-off had taken the test in English,” said the source. “We may come up with a detailed analysis of the results.” Some teachers regretted that had the Bengali question paper not posed a problem, the number of candidates clearing the cut-off percentile from the state could have been higher.

All medical aspirants, irrespective of their earlier attempt, will be eligible to appear for NEET thrice.

                                                                   Kolkata24x7

কলকাতা

বাংলার ডাক্তারি পড়ুয়াদের বঞ্চিত করছে খোদ মমতারই দফতর

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের ডাক্তারি পড়ুয়াদের বঞ্চিত করছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই অধীনে থাকা স্বাস্থ্য দফতর৷ শুধুমাত্র তাই নয়৷ রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও উঠছে৷

মেডিক্যাল অর্থাৎ, এমবিবিএস এবং ডেন্টাল অর্থাৎ, বিডিএসে ভর্তির জন্য দেশজুড়ে হয়েছে অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষা তথা ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (NEET)৷ যদিও, ইতিমধ্যেই এমন অভিযোগও উঠেছে, দেশজুড়ে অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষার কথা বলা হলেও বাস্তবে কার্যত এই NEET পশ্চিমবঙ্গের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অভিন্ন হিসাবে দেখা দেয়নি৷ কারণ, বাংলা ভাষায় প্রশ্নপত্রে ফারাক ছিল৷

আর, এই ধরনের পরিস্থিতির মধ্যেই এ বার বাংলার ডাক্তারি পড়ুয়াদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠল খোদ রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরেরই বিরুদ্ধে৷ তবে, রাজ্যের ডাক্তারি পড়ুয়ারা যাতে বঞ্চিত না হন, তার জন্য সোমবার এআইডিএসওর তরফে স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্যকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে৷ এআইডিএসও-র রাজ্য সভাপতি, ডাক্তার মৃদুল সরকার বলেন, ‘‘অসম, উত্তর প্রদেশ, অন্ধ্র প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মধ্য প্রদেশ এবং পঞ্জাব, এই ছয় রাজ্যে মেডিক্যাল এবং ডেন্টালে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের কোটা হিসাবে সেখানকার প্রার্থীদের জন্য ৮৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে৷ অথচ, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এমন করা হয়নি৷’’
শুধুমাত্র তাই নয়৷ এআইডিএসও-র রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘এই ছ’টি রাজ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ওই রাজ্য থেকে ১০ অথবা ১০+২ পাশ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে৷ অথচ, পশ্চিমবঙ্গের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে রাজ্যের বাসিন্দা হিসাবে প্রমাণের জন্য যে সব বিষয়ের কথা বলা হয়েছে, সে সব জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল৷ তা হলে কীভাবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স তুলে দিয়ে NEET চালুর মাধ্যমে অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষার ব্যবস্থা হল?’’ এআইডিএসও-র রাজ্য কমিটির সদস্য, ডাক্তার কবিউল হকের কথায়, ‘‘রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে তোলাবাজি চলছে৷’’ কীভাবে?

তাঁর কথায়, ‘‘NEET-এর ফল প্রকাশের পরে এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যের ভিত্তিতে প্রার্থীদের জন্য কোনও মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি৷ অথচ, প্রি কাউন্সিলের নাম করে মেডিক্যালের ক্ষেত্রে দুই এবং ডেন্টালের ক্ষেত্রে দেড় হাজার টাকা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে৷’’ একই সঙ্গে কবিউল হক বলেন, ‘‘কোনও প্রার্থী এখনও জানেন না রাজ্য স্তরে তাঁর নাম কত নম্বরে রয়েছে৷ অথচ, তাঁকেও প্রি কাউন্সিলে যেতে হবে সরকারি নির্দেশে৷ কিন্তু, শেষ পর্যন্ত সুযোগ না পেলেও এই দুই অথবা দেড় হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হবে না৷ সরকারি তরফে এটা তোলাবাজি ছাড়া আর কী?’’ এমন বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্য অবশ্য বলেছেন, ‘‘এ সব সরকারি সিদ্ধান্ত৷’’ All rights reserved by @ Kolkata24x7

 

Millennium Post

Bengal medical aspirants write to Prez over NEET

Pradip Chatterjee ,  4 Jun 2017 ,  Kolkata

Some medical aspirants from Bengal wrote to the President of India while five senior doctors from across the country have written to the Prime Minister urging their intervention to stop the implementation of the National Eligibility cum Entrance Test (NEET) thereby allowing the state governments to conduct their own medical entrance examination to avoid any further complications after the Madras high court’s stayed the order on the proceedings of NEET 2017.

The doctors who have sought the attention of the Prime Minister, pointed out a serious issue as the delay in NEET proceedings may affect the health services in the country as the timing of passing out of doctors will be deferred. As a result of this, there may be a shortage of interns in various hospitals. This would have an adverse effect on the health services in the states.

In their letters to Prime Minister Narendra Modi — Dr Amiya Kumar Maity, Dr Shankhadip Mula, Dr Imtiaz Ali, Dr Priyanka Maity and Dr Jahangir Alam — requested him to issue an order so that the state entrance boards can take their own entrance examinations for the session 2017-18 as the last year and the CBSE board can take the examination for 15 percent All India Quota & Private Medical Colleges seats. They said that the NEET may be started later with appropriate regulations and arrangements.

They pointed out how the Central Board of Secondary Education (CBSE) which was assigned to conduct the NEET has made some mistakes in the question papers in various languages. It may be mentioned here that the Madras high court (Madurai Bench) already put a stay order on the NEET proceedings over certain issues.

It has been alleged by the NEET aspirants that questions of all regional languages like Bengali, Tamil, Telugu, Marathi, Assamese, Gujarati, Kannada and Odia were totally different from that of English and Hindi question papers. Even the question papers were tougher than the English and Hindi ones.

The doctors in their letter said that the CBSE board published information bulletin saying that only one unique question paper will be set for NEET (UG) 2017 examination in different regional languages but on the day of examination, it was found that question papers were different in various languages. Moreover, regional language students had been instructed that the question in English will be the final in case of any doubt regarding a question in any regional language. The CBSE board announced that it would not take any responsibility for the mistakes in translation from English to regional languages.

To                                                                                                                   Dated – 03-06-2017

Sri Narendra Modi

Hon’ble Prime Minister

Govt. of India,

Prime Minister’s Office (PMO).

South Block, Raisina Hill, New Delhi, India-110011.

narendramodi1234@gmail.com

Sub: NEET-UG 2017 examination is in crisis due to Madras high court’s stay order regarding all NEET-related proceedings – an appeal

Respected Sir,

With great reverence and humble submission, we would like to draw your kind attention regarding the crisis occurred in NEET – 2017 undergraduate medical entrance test for MBBS and BDS by CBSE for admission to session 2017-2018.

Earlier, Dated-27-01-2017 and 31-03-2017 we had appealed before you to stop the implementation of NEET for this session 2017-18 due to an impending crisis in conducting the NEET-UG 2017 by CBSE board.

Now we further like to draw your kind attention on followings :

As per NEET Act 2016, the undergraduate National Eligibility cum Entrance Test (NEET-UG) -2017 examination was held by the Central Board of Secondary Education (CBSE).

The Notification of the said examination was published on 31/01/2017 by the conducting authority CBSE. NEET (UG) 2017 online application fill-up was started on and from 31st January, 2017 and ended on 1st March, 2017. The said examination was conducted on 7th May, 2017 from 10 am to 1 pm. time in 10 different languages – English, Hindi, Tamil, Telugu, Marathi, Bengali, Assamese, Gujarati, Kannada and Odiya. CBSE had conducted the said examination and declared that the board will provide All India Rank to the Directorate General of Health Services, Government of India to conduct the counselling of 15% All India Quota Seats in undergraduate medical entrance and also supply the result to states / other Counselling Authorities so that respective states/ respective counselling authorities can prepare their own merit list for admission to undergraduate medical course.

NEET-UG is a nationwide single uniform common entrance test. But after occurrence of NEET (UG) – 2017 examination it is noticed that questions set in all regional language version question papers that Bengali, Tamil, Telugu, Marathi, Assamese, Gujarati, Kannada and Odiya were totally different from that of English and Hindi language version Question papers. Moreover, the hardness and difficulty value (DV) were also totally different in all the regional language version question papers than that of Hindi and English question papers. Of the regional language version question papers, the questions set in  Bengali version question paper were more tough. Thus in NEET (UG) – 2017, it is seen that difficulty value (DV) of Question papers in different languages were different. This is a clear violation of Article 14 of the Indian Constitution.

As per the Indian Medical Council Act-1956 amended in 2016 and the Dentists Act-1948 amended in 2016, the Central Board of Secondary Education (CBSE) has given the charge to conduct NEET (UG) – 2017 for admission to MBBS/BDS Courses in different Medical/Dental Colleges throughout the nation run by the approval of Medical Council of India/Dental Council of India.

As per NEET Act 2016, admissions to all seats of MBBS/BDS courses will be done by NEET (UG) qualified students. The seats are classified in the following categories: (i) All India Quota Seats (ii) State Government Quota Seats (iii) State/Management/NRI Quota Seats in Private Medical / Dental Colleges or any Private/ Deemed University (iv) Central Pool Quota Seats.

In the CBSE board published Information Bulletin it was clearly stated that only one unique question paper will be set for NEET (UG) 2017 examination and version of the same unique question paper will be done in different regional languages set in the said examination. But on the day of examination (7th May, 2017) it became obvious that in the NEET (UG) 2017 examination conducted by CBSE there was different question papers in different versions / languages.

 

Earlier in the year 2013, the same conducting authority that is the CBSE board had taken NEET (UG) 2013 Examination for the First time as per direction of the Hon’ble Supreme Court of India, wherein direction was also same to reproduce questions in different versions from an unique question paper and the direction was strictly maintained by the CBSE in the year 2013. Likewise in  NEET (UG) 2017 Examination, the directions were in Toto as that of earlier NEET – 2013 guidelines. After the Examination is over, it is found that different version question papers have contained different questions of different hardness.

 

Published Information Bulletin for the said examination is an agreement between Examinees and the Examiner(s)/exam conducting authority. Here, CBSE Board has violated that agreement and as such came under the purview of Breach of Contract.

Moreover, the Bengali Version Students and other regional language Version Students have been told that English translation will be the final for the doubt regarding clarification of the questions. CBSE board will not held any responsibility for any mistake in translation from English Version to regional languages. Students of regional language version were told to finalize after seeing the English version accordingly. This was an extra times consuming and mental burden imposed to the regional language version students than that of Hindi and English version students. Equality before the law & equal protection were not maintained in NEET- 2017 examination.

In NEET (UG) 2017 Bengali Version Question paper, it is noticed that In some questions translation to Bengali from English was totally wrong. Some translation from English to Bengali were ambiguous. Even knowing the correct answer, because of wrong / ambiguous translation, students have failed to answers more than 40-50 marks questions. Bengali and others regional students have been compelled to devote more time for translation and as such failed to answer the questions in the specified time limit. If there was any mistake in Hindi and English version full marks would be given to the students, but in other regional languages this was not followed.

CBSE Board did not have the infrastructure to take exam of 11.5 Lakh students in multi-languages. This was informed several times to CBSE, MCI, DCI, and Health Department of Central Government well ahead, still CBSE has taken the examination on 7th May, 2017. CBSE has no such infrastructure so 95% students had filled up applications wrongly. Like, domicile certificates were not sought prior to application fill up which is mandatory for admission in State Quota seats in West Bengal. Likewise thumb impression was not taken in application fill up which in mandatory to identify a candidate. Apart from Aadhar card number many done application fill up by Aadhar enrolment number or by passport number also which will not link the candidate’s identification. Those who have been in State OBC quota there was no such column in the online form. They have been compelled to tell a lie entering their name in general category.

In Karnataka, Kannada version question papers were not available on the exact date of NEET (UG) 2017 examination that is on 7th May, 2017 and as such CBSE had to take separate examination on 17th May, 2017 for those few Kannada language holder students in another separate question paper. This is also a clear indication about shortage of infrastructure of CBSE.

Wrong addresses of examination centres were also given in the admit card. E.g. for Delhi Public School centre situated at North Kolkata, the address put in the Admit Card was a Howrah district of West Bengal Address. CBSE software and infrastructure failed to perform in time. This is the indication.

On the grounds of different question papers set in different languages, hardness and difficulty value (DV) of different question papers, the Madurai Bench of Madras High Court has already passed STAY order on all types of proceedings for publication of NEET (UG) 2017 result. Many other petitions will also be filed in High Courts of different States. Very soon the situation will be grave.

The highest court of India is refused to hear the case at all as the matter is already heard /to be heard by different Hon’ble High Courts of state(s). Different verdicts by different Hon’ble High Courts of state(s) will make the situation critical. The students and guardians are in tremendous mental anxiety.

Moreover there is leakage of NEET (UG) – 2017 Question Paper(s) and regarding this already petition has been filed in the Hon’ble SC by a charitable trust and the earliest date to hear the matter is fixed on 3rd July, 2017 by the SC.

Normally the classes for MBBS and BDS course start from the 2nd week of August onwards in every year. If the classes couldn’t be started in time there would be delay in the completion of the MBBS/BDS course. After completion of the course these students become Doctor Internee. In very next year these internee doctors will enter in their Houseman – ship. Suppose if there is delay of 2 months in starting and completion of the session of more or less 85000 MBBS and BDS students it will create a GAP of 2 months when the internees of previous year will finish their term and hospitals throughout the country will not get these vast numbers internees for 2 months time. Same situation will occur again in the very next year when these internees will enter in their houseman-ship. Nowadays these junior doctors that is the internees and houseman doctors are the main supports of the hospitals to run the patient care system. Thus a gap in staring a session will create a vast problem in patient care system in future. The health care system would face a grave danger.

The NEET Examination in the same time with different questions has created lot of problems. There is no question of normalization as per order of the Hon’ble Supreme Court of India. Hence, there is no other way but to cancel the examination for the benefit of all the students providing them an equal status.

After leakage of AIPM/PDT 2015 Question paper, the Hon’ble Supreme Court by order WP(C) no. 298/2015 dated 5th June, 2015 cancelled the said examination and ordered the CBSE Board to hold a fresh examination. Afterwards, HRD ministry appointed a committee headed by retired Justice MSA Siddiqui. The committee submitted its report to the Human Resource Development (HRD) Ministry, suggesting to conduct the All India Pre-Medical and Pre-Dental Test (AIPMT/PDT) in two parts, 1st phase with Multiple Choice Questions (MCQs) and 2nd phase Non-MCQs to check the possibility of any irregularity including question paper leak in the nationwide examination.

The Ministry of Human Resource Development of Govt. of India, has decided to set up “National Testing Service (NTS)”, an independent body dedicated to entrance tests for higher education like NEET etc and the decision is already passed in Parliament. In this year CBSE had collected about 120 crore money from the NEET (UG) 2017 examinees as examination fees. It is expected that almost equal amount has been used up by the CBSE for conducting the said examination on dated 7th May, 2017. At this moment, it is not possible for CBSE to arrange such huge amount money again to conduct re-examination because from the next session NTS will take the charge to conduct the NEET (UG).

 

The Gazette Notification of Medical Council of India (MCI) vide No. MCI-31(1)/2010-Med /49068 dated 21.12.2010 was published on 27.12.2010 for NEET UG and vide No. MCI-31(1)/2010-MED 62051 date d 15-02-2012 was published on 27-02-2012 for admission to MBBS course. A third notification bearing No. DE-22-2012 was published by the Dental Council of India (DCI) on 31.5.2012, relating to admission in the BDS course which was similar to the notifications published by the Medical Council of India (MCI).

MCI was conferred the power through IMC amendment Act 2016 on 05.08.2016. In IMC (Amendment) Bill, 2016 in the statement of objects and reasons on 15th July, 2016 Page 4, section 8(c) it was said that to amend section 33 of the Act so as to enable the Council to make regulations for all matters connected with the conduction of uniform entrance examination. The gazette notifications of 2010 & 2012 were done long before the Indian Medical Council amendment Act 2016. MCI/ DCI are enabled from 15th July, 2016 to make regulations for all matters connected with the conduction of uniform entrance examination. Afterwards no such regulations were framed by MCI/DCI for all matters concerned with the conduct of uniform entrance examination. So the gazette notifications of the years 2010 & 2012 have no legal validity.

The Central Board of Secondary Education would be the conducting authority of NEET exam, the power conferred by the Gazette Notification of MCI dated 21.12.2010 published on 27.12.2010 for NEET UG. After IMC Act 2016, the said Gazette Notification dated 21.12.2010 has no legal validity. The Central Board of Secondary Education has no power to hold NEET- 2017 examination.

Further, minimum qualifying marks in percentile basis instead of percentage was framed in those Gazette Notifications by MCI and DCI. Thus the minimum qualifying marks in 50th percentile for unreserved (UR) category and 40th percentile for SC/ST/OBC categories in NEET (UG) 2017 are not legal. So, even after good result, admission to BDS or MBBS might be cancelled it will be illegal, bad in law.

The Medical Council of India has specially mentioned in the Medical Council of India Regulations on Graduate Medical Education, 1997 that the said two notifications of 2010 & 2012 were quashed by the Honble Supreme Court on 18.07.2013 and have been revived on 11.04.2016 by the Hon’ble Supreme Court. IMC amendment Act 2016 was formed on 05.08.2016 which was long after the date of revival. So no legal validity of the previous Gazette Notification by MCI after IMC amendment Act 2016 on 05.08.2016 as MCI was conferred the power through IMC amendment Act 2016 on dated 05.08.2016.

So my earnest appeals before you:

Stop the implementation of NEET (UG) for this session 2017-18. It may be started from later with appropriate regulations and arrangements. Issue an order so that the state entrance boards can take their own entrance examinations for the session 2017-18 as last year and CBSE board takes exam for 15% All India Quota & Private Medical Colleges seats.

Hope, your good office will take necessary action for the benefits of the majority of the students, guardians and people of India.

With best regards,

Yours sincerely,

  1. i) Amiya Kumar Maity, Formerly attached to SSKM Hospital, Kolkata.
  2. ii) Shankhadip Mula, Formerly attached to P D Hinduja National Hospital, Mumbai, Maharashtra.

iii)  Dr. Imtiaz Ali, New Delhi

  1. iv) Dr. Priyanka Maity, Ex-Medical Officer, M R Bangur Hospital, Kolkata,WB.
  2. v) Dr. Jahangir Alam, Formerly attached to Apollo Hospital, Chennai, Tamil Nadu

Contact- 515/1 Lake Gardens, Kolkata-700045, PS – Lake.  No – 09830173422 ; E.mail : drmaity4@gmail.com

Enclo i) Letter to PM dated 31-03-2017

  1. ii) Letter to PM dated 27-01-2017

iii)  Madras high court stay order

  1. iv) MCI Gazette Notification of 2010 vide No. MCI-31(1)/2010-Med /49068 dated 21.12.2010 was published on 27.12.2010 for NEET UG
  2. v) MCI Gazette Notification of 2012 vide No. MCI-31(1)/2010-MED 62051 dated 15-02-2012 was published on 27-02-2012
  3. v) IMC-Amendment-Act-2016-05.08.2016
  4. vi) NEET (UG) 2017 Information Bulletin

vii) NEET (UG) 2013 Information Bulletin

viii)NEET – UG – 2017 Notification

  1. ix) NEET UG- 2017- Wrong questions in Bengali Version paper

Copy to –

  1. i) Mr. Jagat Prakash Nadda The Hon’ble Minister of Health and Family welfare,Govt. of India Nirman Bhawan, New Delhi-110 011011 hfwminister@gov.in
  2. ii) Prakash Javadekar Hon’ble Minister of HRD, of India New Delhi. minister.hrd@gov.in request-hrd@gov.in

iii) The Minister of State (Health and Family Welfare), Smt Anupriya Patel 09013869482 (M) Anupriyasingh.patel@sansad.nic.in mirzapur.mp@gmail.com

  1. iv) Ms. Mamata Banerjee, Hon’ble Chief Minister Govt. of West Bengal. cm@wb.gov.in,cm@wb.nic.in  and Chief Ministers of all states,
  2. v) Partha Chatterjee, Hon’ble Higher Education Minister Govt. of West Bengal and of all states michighedu@wb.gov.in
  3. vi) Ex-Justice SC, R M Lodha, Office of the Hon’ble Supreme Court Mandated Oversight Committee on MCI , 2nd Floor, Academic Block, National Institute of Health and Family Welfare, Munirka, New Delhi – 110067.Contact Numbers: 011-26183846, 26160158 Email Address: oversightcommittee.mci.sc@gmail.com

vii) Jayshreeben Mehta President of Medical Council of India, President, Medical Council of India Pocket – 14, Sector 8, Dwarka New Delhi – 110077, drjayshree1943@gmail.com,president-mci@nic.in

viii) The DME , the Government of West Bengal and all states

  1. ix) The Principal Secretary, Government of West Bengal, Health and Family welfare Dept. and all states.
  2. x) RAJESH KUMAR CHATURVEDI, IAS The Chairman, CBSE board Shiksha Kendra, 2, Community Centre, Preet Vihar, Delhi – 110092 Email: chmn-cbse@nic.in
  3. xi) The VC, The West Bengal University of Health Sciences and all States Universities & Deemed Universities. bhabatos@yahoo.co.in / bhabatos@gmail.com

xii) The Chairman, West Bengal Joint Entrance Examinations Board , AQ 13/1, Sector-V, Salt Lake City, Kolkata–700091,chairman@wbjeeb.in/ registrar@wbjeeb.in

xiii) Sh. Sanyam Bhardwaj, Joint Secretary & OSD (NEET) Central Board of Secondary Education, Shiksha Kendra, 2, Community Centre, Preet Vihar, Delhi-110 092. aipmt.cbse@nic.in cbsecc@gmail.com

xiv)  Others

To

Mr. Jagat Prakash Nadda The Hon’ble Minister of Health and Family welfare,Govt. of India Nirman Bhawan, New Delhi-110 011011 hfwminister@gov.in.

 

Sub: Madras high court’s stay order on all NEET-UG-2017 related proceedings

Respected Sir,

With due honour and modest genuflection, I, Saddam Mirza

of Vill + PO – Kaithan Dist – Buardwan ,  West Bengal would like to draw your kind attention regarding the crisis occurred in NEET – 2017 undergraduate medical entrance test for MBBS and BDS by CBSE for admission to session 2017-2018.

 

On this regards I like to draw your kind attention

The Notification of the NEET (UG) 2017 examination was done by the CBSE on 31/01/2017. NEET (UG) 2017 online application fill-up was started on and from 31st January, 2017 and ended on 1st March, 2017. The said examination was conducted on 7th May, 2017 from 10 am to 1 pm. time in 10 different languages

NEET-UG is a nationwide single uniform common entrance test. But after occurrence of NEET (UG) – 2017 examination it is noticed that questions of all regional language version question papers that is Bengali, Tamil, Telugu, Marathi, Assamese, Gujarati, Kannada and Odiya were totally different from that of English and Hindi Question papers. Moreover, the hardness were also different in all the regional language version question papers than that of Hindi and English question papers. Bengali version question paper were more tough.

 

In the CBSE board published Information Bulletin it was clearly stated that only one unique question paper will be set for NEET (UG) 2017 examination and version of the same unique question paper will be done in different regional languages set in the said examination. But on the day of examination it was noticed that in the NEET (UG) 2017 examination conducted by CBSE there was different question papers in different versions / languages.

 

Earlier in the year 2013, the same conducting authority that is the CBSE board had taken NEET (UG) 2013 Examination for the First time as per direction of the Hon’ble Supreme Court of India, wherein direction was also same to reproduce questions in different versions from an unique question paper and the direction was strictly maintained by the CBSE in the year 2013. Likewise in  NEET (UG) 2017 Examination, the directions were in Toto as that of earlier NEET – 2013 guidelines. After the Examination is over, it is found that different version question papers have contained different questions of different hardness.

 

In NEET (UG) 2017 Bengali Version Question paper, it is noticed that in some questions translation from English to Bengali was wrong. As a result meaning of the same question(s) become opposite in two versions (Bengali & English). Some translation from English to Bengali were ambiguous. Bengali and others regional students have been compelled to devote more time for translation and as such failed to answer the questions in the specified time limit. If there was any mistake in Hindi and English version full marks would be given to the students, but in other regional languages this was not followed.

 

On the grounds of different question papers set in different languages, hardness and difficulty value of different question papers, the Madurai Bench of Madras High Court has already passed stay order on all types of proceedings for publication of NEET (UG) 2017 result. Many other petitions will also be filed in High Courts of different States.

The highest court of India is refused to hear the case at all as the matter is already heard /to be heard by different Hon’ble High Courts of state(s). Different verdicts by different Hon’ble High Courts of state(s) will make the situation critical.

Moreover there is leakage of NEET (UG) – 2017 Question Paper(s) and regarding this already petition has been filed in the Hon’ble SC by a charitable trust and the earliest date to hear the matter is fixed on 3rd July, 2017 by the SC.

 

After leakage of AIPM/PDT 2015 Question paper, the Hon’ble Supreme Court by order WP(C) no. 298/2015 dated 5th June, 2015 cancelled the said examination and ordered the CBSE Board to hold a fresh examination. Afterwards, HRD ministry appointed a committee headed by retired Justice MSA Siddiqui. The committee submitted its report to the Human Resource Development (HRD) Ministry, suggesting to conduct the All India Pre-Medical and Pre-Dental Test (AIPMT/PDT) in two parts, 1st phase with Multiple Choice Questions (MCQs) and 2nd phase Non-MCQs to check the possibility of any irregularity including question paper leak in the nationwide examination.

 

The Ministry of Human Resource Development of Govt. of India, has decided to set up “National Testing Service (NTS)”, an independent body dedicated to entrance tests for higher education like NEET etc and the decision is already passed in Parliament.

 

So my earnest appeals before you:

Issue an order so that the state entrance boards can take their own entrance examinations for the session 2017-18 as last year.

Hope, your good office will take necessary action. With best regards,

Yours sincerely,

Saddam Mirza , Contact – vill + PO – Kaithan Dist – Buardwan, PIN – 713143, M-09073373021 ; E.mail : iamdrsmirza@gmail.com

Enclo i)  My Admit of NEET-2017

  1. ii) NEET UG- 2017- Wrong questions in Bengali Version paper

iii) Stay order of Madras High court

Copy to –

  1. i) Prakash Javadekar Hon’ble Minister of HRD, of India New Delhi. minister.hrd@gov.in request-hrd@gov.in
  2. ii) The Minister of State (Health and Family Welfare), Smt Anupriya Patel 09013869482 (M) Anupriyasingh.patel@sansad.nic.in mp@gmail.com

iii) Ms. Mamata Banerjee, Hon’ble Chief Minister Govt. of West Bengal.  cm@wb.gov.in, cm@wb.nic.in  

  1. iv) Partha Chatterjee, Hon’ble Higher Education Minister Govt. of West Bengal michighedu@wb.gov.in
  2. v) Director, CBSE board Shiksha Kendra, 2, Community Centre, Preet Vihar, Delhi – 110092 Email: chmn-cbse@nic.in
  3. vi) President, Medical Council of India Pocket – 14, Sector 8, Dwarka New Delhi – 110077, drjayshree1943@gmail.com,president-mci@nic.in

vii)The Chairman, West Bengal Joint Entrance Examinations Board , AQ 13/1, Sector-V, Salt Lake City, Kolkata–700091,chairman@wbjeeb.in/ registrar@wbjeeb.in

     

                                                                The Times of India

                                                     NEET reason for Beng-Eng medium switch

June 02 2017 : Somdatta Basu  TNN kolkata

What do Md Masum Akhtar from South 24-Parganas, Aritra Mandal from Kolkata, Nabyendu Ghatak from Hoogly and Ayan Mazumdar from Barasat have in common? The rank-holders in this year’s Madhyamik have shifted from Bengali to English as the medium of instruction at school, apparently hoping the switch will help them crack the National Eligibility-cum-Entrance Test (NEET) for admission to medical colleges.

Given this year’s fiasco over NEET question papers, all of them fear the Bengali papers would be more difficult to clear than the English version.

Mohd Masum Akhtar from Sundarban Adarsha Vidyamandir, who came second in the Class-X exams, is preparing himself to enrol at Ramakrishna Mission Vidyalaya, Narendrapur. “He will take the admission test on June 4. We have decided to admit Masum to the new school as we want our son to study in English. He aspires to be a doctor,“ said Ma sum’s fat her Mohd Saidul Is lam, a go vernment employee at Kakdwip SDO office. “The Bengali-English shift in medium will help him prepare for NEET well. Moreover, learning English will help Masum take up any course outside Bengal and even abroad. He will also learn to converse in English. We have no bias against Bengali as the medium of instruction, but it’s important to opt for English if one hopes to clear national exams.“

“The trend over the past few years shows Bengali-medium students take longer time to understand the questions in English. Moreover, the scientific terms in the Bengali papers are often misleading, and even wrong. I would rather study in English as I don’t want to take any risk when it comes to choosing my career,“ said Aniruddha Ghatak of Kashiadanga High School in Balurghat. His claims are not unfounded given that even this year, the state government complained to the MHRD against the higher difficulty level in the Bengali NEET question papers. Aritra Mandal from Jadav pur Vidyapith stood 5th in Mad hyamik, 2017. “We will put Arit ra in the English medium section of the school for classes XI XII,“ said his schoolteacher father, Arun Mandal. Even Nabyendu Ghatak from Ramakrishna Mission Multipur pose School, Kamarpukur, after ranking 6th, is now moving to Ramakrishna Mission Vidy alaya, Narendrapur. “I feel Na byedu can prepare himself well for the entrance exams if he studies in an English-medium school,“ said his father, Sushanta Ghatak, also a schoolteacher. Pointing out the importance of a high rank in NEET for admission to a reputable medical college, Sushanta said, “A student, who is good in English, is likely to be at a better position than others, given the trend of questions.“ Similar is the reason behind 10th rankholder Ayan Majumdar from Barasat Peary Charan Sarkar Government High School switching to the English-medium section. “Changing to English will give my son a better opportunity to crack NEET,“ said Gopa Mazumdar, his mother

Millennium Post

Now, manual counsellings in final stages of admissions

Pradip Chatterjee |  31 May 2017

 

The Bengal government will conduct manual counsellings in the final stages of admission in the undergraduate medical courses after the Supreme Court passed an order saying that all the states must conduct the medical counsellings manually so that no seats remain vacant in medical colleges.

The process of online medical counsellings were started from 2013 as a result of which, many of the medical seats were found to have been lying vacant even after the admission procedures concluded.

As per the Supreme Court’s recent verdict, the first two counsellings could be conducted online but the final stages of counselling must be conducted manually by the state governments or by the authorities designated by the state government. In the past few years, the Bengal government, like many others, has been conducting all the counsellings online.

The Apex Court has given the verdict after it had observed that many of the undergraduate medical seats often remain vacant after the admission process is concluded.

The order said that the state governments should conduct manual counsellings for allotment of students in the vacant seats. After the completion of counselling, the state governments should determine the number of seats that remain vacant and they must forward a list of students in order of merit, ten times the number of vacant seats to the medical colleges so that in case of a seat lying vacant following a transfer of a candidate, the respective state governments or the designated authorities can fill up the seats.

It may be mentioned that till the last academic year, there were three rounds of counsellings followed by a mop up counselling. But the counsellings were held online. As there were no manual counsellings, the seats would have been lying vacant after a candidate gets transferred to other college or he/she pursues some other stream. Prior to 2013, all the medical counsellings used to be held manually. Candidates would have appeared physically at a medical college during the medical counselling.

The Supreme Court has observed that it has been noticed over a period of time that when students report to a college after the counselling, they are refused admission by the colleges on some pretext or the other and it is shown by the colleges as if the students never reported to the college for admission.

The Apex Court also maintained that if the demand draft is deposited by the admission or counselling committee, then there would be no scope for colleges to refuse admission to any student. The students who secure admission in MBBS course should deposit a demand draft in favour of admission or counselling committee as fees payable to various institutions. The admission or counselling committee shall forward the demand draft to the respective institution or college or university.

Dr A K Maity, an expert in the field of medical education in the state said that the undergraduate medical seats in various medical colleges often lay vacant because of the faulty system of conducting online counsellings that fail to fill up the vacant seats. This also leads to a huge loss of various state governments.

Considering the seriousness of the matter, the Supreme Court has passed an order asking the states to conduct the first two counsellings online but the counselling at the final stage of selecting candidates must be conducted manually till all the vacant seats are filled up, Dr Maity maintained.

 The Times of India

Bengal med aspirants feel NEET exam jitters

Somdatta Basu & Aastha Agarwal Kolkata ,May 26 2017: TNN

The Madurai bench of Madras high court’s decision to grant an interim stay on the release of National Eligibility-cum-Entrance Test results, scheduled to be published on June 8, has left the fate of 56,079 medical aspirants from Bengal hanging in balance.

This, when students are already worried about marks moderation dispute and a possible delay in boards results.

While some medical entrance candidates are worried about the lack of communication from the CBSE authorities, some are anxious that given the delay on results, they might have to explore other education options, such as engineering and law. “With the HC issuing a stay order, the CBSE is, to some extent, is left with no other option but to hold another NEET exam with a more uniform question paper, which will not have any translation mistake or terminology error,“ said Amiya Maity , former teacher at SSKM Hospital. Claiming CBSE did not have the infrastructure to conduct errorfree exams in 10 languages, he added: “In such a case, the Centre may be forced to ask the states to make arrangements for holding the state-level medical entrance tests. But CBSE will still have to hold a separate admission test to fill the 15% all-India-quota in government colleges and to admit students to private colleges, which was the case last year.”

 Students are upset with the stay order, issued following a petition, demanding uniform standard for all question papers. Riddhi Vasa from Sushila Birla Girls’ School said, “If the NEET row continues and we have to take medical entrance test again, I won’t drop a year. I will go in for biotechnology or pharmacy. Many may study engineering or BSc.“ Even earlier, some students had to forgo their dream of studying medicine, thanks to similar confusions. “This has been a regular occurrence since 2015. I am now studying political science at St Xavier’s College as exams were held off even last year. Instead of dropping a year, I decided to have a backup option. This year, too, I sat for NEET and yet again, I am facing the same trouble,“ said a candidate, Anoushkha Prasad.

                          THE TIMES OF INDIA

NEET candidates stressed about hall rules on exam day

Somdatta Basu | TNN | May 7, 2017, 06.00 AM IST

KOLKATA: Candidates of the National Eligibility and Entrance Test (NEET) are grappling with the rulesregarding clothes and accessories to be allowed inside the examination halleven as they prepare for the test scheduled on Sunday.

The rules stipulate that any violation of the instructions will lead to disciplinary action, including no entry into the examination centre and ban from future examinations. Such is the confusion regarding instructions that several candidates have even bought a new set of dress and slippers rather than take their chances. Some have doubts if they will be prohibited from taking the test if their photos don’t match the specifications.

According to NEET guidelines, examinees are allowed to wear light coloured clothes with half sleeves with salwars or trousers. There should be no big buttons, brooch or badge. Candidates will only be allowed to wear slippers and sandals with low heels. Covered shoes are banned.

“I had to purchase a new pair of slippers for my daughter since no covered shoes are allowed. I also bought leggings in light colour for her. It seems like the examination centres will be turned into battlefields. Instead of enhancing security, they are eliminating necessary items which can be taken inside the examination centre,” said Sukanta Chakraborty, father of NEET aspirant Anisha.

“The valid photo ID card can’t be taken inside the examination hall. Instead, we have been advised to carry only our admit card, a postcard-sized photograph and a passport-sized photograph. Usually, a photo ID is compulsory during exams. In absence of one, I am confused if these three will be sufficient and valid documents,” added Aranya Dutta, a student of RKM Narendrapur who will take the examination at Barasat Indira Gandhi Memorial High School.

Amiya  Maity, former teacher at SSKM, pointed out the areas which are still ambiguous and requires a through scrutiny by students so that they don’t miss any instructions. “The front of the admit card mentions that candidates will be allowed to enter the examination centre latest by 9:30am. But inside the admit card they have differentiated between two types of candidates. The students registered under group A will have to enter between 7:30am and 8:30am. The group B examinees can enter between 8:30am and 9:30am. Those in group A who get in at 9:30am will not be allowed in,” he said.
“Students will also have to get through the test without food since tiffin won’t be allowed inside.”

Allow 38 students to write NEET, High court tells CBSE

TNN | Updated: Apr 30, 2017, 05.56 AM IST

CHENNAI: With NEET for MBBS-aspirants just 10 days away, the Madras high court has directed CBSE to permit 38 rural students to write the examination after collecting fees from them.

The students could not complete necessary formalities by April 5, which was the last date for online registration of candidates, because of technical glitches over such as non-receipt of one-time password or payment-related difficulties owing to poor internet connection. The last date ended on March

Justice Pushpa Sathyanarayana, while lauding the CBSE’s online registration system, said, “Better connectivity has to be addressed or provisions ought to have been made for an alternate method for the situation like the present cases.

Admittedly, a group of students had gone to the same internet centre to make their application form online. Though they were successful till the stage of applying and getting it registered, they were unsuccessful in completing the procedure by paying the required fees. These candidates are from different pockets of the districts in Tamil Nadu.

The low internet speed and power outage are the perennial problems faced even in the metropolitan cities. No malafides can be imputed to these candidates who could not remit the fees online in the absence of any alternate mode.”

Pointing that the court had on April 20 issued similar direction to the CBSE to consider their request to receive the payment for NEET-UG-2017 examination fees in any other manner suitable to it, said: “CBSE is directed to accept the fees from the petitioners with respect to their application forms as registered online through RTGS on or before May 2. On receipt of the fees, the CBSE is directed to generate the hall ticket and issue the same to them to enable them to sit for the NEET exams”, she said

No NEET Exam for AYUSH UG admission 2017-18 in certain States

By Sathish Kumar  – Thursday, April 27, 2017

Ayush neet 2017

Ministry of AYUSH, New Delhi, has received representations from certain State Governments expressing their inability to admit student into AYUSH-UG courses for the Academic Year 2017-18 as CBSE has not included the AYUSH-UG courses in its notification.

The matter was examined by the Ministry and after considering representations made by the State Governments, it has been decided that:

Since, it is important to ensure that meritorious students/candidates come to AYUSH streams of medicine, it would be advisable to the State/UT Government to adopt the merit list of National Eligibility cum Entrance Test (NEET) for admission in AYUSH UG course for the A.Y. 2017-18 as per the existing reservation policies of the concerned State Government in tune with CBSE notification of NEET for modern medicine.

However, if due to some difficulties the State/UT Governments are unable to adopt NEET merit list for AYUSH UG admission for A.Y. 2017-18, then such States/UT Government may admit students in all the AYUSH Colleges/Institutions (Public and Private) through Common Entrance Test (CET) of the concerned State Government as per the existing Rule and Policies of the concerned State / UTInstitute/University as done in the previous year 2016-17

Admission in AYUSH UG Courses shall be compulsorily through NEET merit list from the A.Y. 2018-19

NEET UG Exam 2017: Check list of banned items in NEET exam hall

 The students can check the list of banned items and the dress code in the CBSE NEET exam hall for NEET exam on May 7, 2017.

The National Eligibility Cum Entrance Test (NEET) 2017 exam is scheduled to be conducted on Sunday,  May 7, 2017. The medical entrance exam is conducted for the undergraduate admissions for the MBBS and BDS course. It is essential for the students to follow the guidelines and instructions which have been prescribed by Central Board of Secondary Education (CBSE). It is essential to follow the guidelines so that there is no confusion and stress at the exam venue. This time the CBSE wants to ensure a smooth and successful conduct of the NEET UG exam.

First of all the students appearing for the exam need to carry their admit card without which they will not be allowed to enter the NEET examination hall.  It is also important to note that NEET 2017 candidates are required to take a passport size photograph along with their admit cards. CBSE had issued the official notification for NEET UG 2017 exam which mentioned all the important details regarding the NEET 2017 exam. The students can check the list of banned items and the dress code in the CBSE NEET exam hall for NEET exam on May 7, 2017 :

It is advisable for the students not to wear any dark clothes.

Smoking in the examination centre is strictly prohibited.

Water Bottles, Tea, coffee, cold drinks or snacks etc. are not allowed to be taken by the candidates into the examination centre.

Stationary items like pen, scale, writing pad, pen drives, eraser, calculators and pencil boxes among others are not allowed inside the NEET UG exam centre.

Communication devices like mobile phones, earphones, health bands and microphone are not allowed be taken inside the exam centre.

Goggles, amulets, belts, wrist watches, scarfs cannot be taken inside the exam centre.

Students cannot wear hair accessories inside the exam centre such as hair pins, hair bands and hair beads. Also Read: NEET admit cards 2017 released: How to download CBSE NEET Admit card online at cbseneet.nic.in

The aspirants who are appearing for the NEET UG 2017 exam need to know that they need to wear light clothes with half sleeves not having big buttons, brooch/badge, flower etc. with Salwar/Trouser. They will be allowed to wear Slippers, sandals with low heels and not the shoes. It is important to note that no arrangement will be made at the centres for keeping any articles/items belonging to the candidates. In case any candidate is found in possession of any of the barred items inside the centre, it will be considered as use of unfair means and action will be taken against the candidate in accordance with the relevant provision.

At 48, gritty farmer pursues medical dream

TNN | Apr 2, 2017, 06.00 AM IST

Kolkata: Age may not be on his side but Pradeep Halderhasn’t given up on his dream. A resident of Pratappur of Krishnaganj in Nadia, Halder will appear in the medical joint examination for the 17th time next month.

Halder is 48 but still dreams of becoming a doctor. The Supreme Court judgment, which removed the age cap on candidates appearing for NEET 2017, has come as a relief to Halder and many like him who are now gearing up to take the exam on May 7 with a new vigour.

Halder lives in an obscure village that doesn’t have doctors in the vicinity. Even for minor illnesses, villagers have to visit a primary health centre 20kms away. The area has no medical support for pregnant women. It is to help his neighbours that Halder has decided to pursue a career in medicine. At the moment, he is a farmer ploughing a hired agricultural land.

Halder has been attempting to crack the medical examination since 2000. However, his dreams could not be realised since every time his rank has only been good enough for a seat in private medical colleges or dental colleges that are far too expensive for him. “It would have been impossible for me to pay such a huge amount of tuition fee and study. But I have kept my dream alive. Every year, I have found a berth but never have I been able to make it to a government medical college,” said Halder.

The Supreme Court decision allows him to keep pursuing his dream. His plans had suddenly had come to a halt after CBSE decided to put an age bar. On Friday, the verdict has again opened a new avenue for him. “Now I am all the more determined to crack the exam and this time I am determined to bag a government college seat.

“Had I got the chance to concentrate only on studies, I may have done better. Last year, I had dedicated three months to preparations by taking off from my job of a daily farmer. I had gone to Kolkata and stayed in a rented accommodation and studied for three months. I had achieved a better score as well as rank. This year, too, I plan to shift to Kolkata and concentrate on the preparations till May 7,” said Halder.

His family of five comprises Halder’s two daughters, a son, his wife and mother. His family is his biggest support, he said. “They are extremely encouraging and are my strongest support system in my journey to become a doctor,” Halder added.

Halder will be filling up the online form on Monday. “I had appeared in Madhyamik in 1986 from Khalboalia High School with a 59.2% score. Thereafter, I had to take a long break due to the financial constraints. I was a topper in school. Yet, I had failed to pursue higher secondary immediately after completing Madhyamik. I again rejoined my studies in 1998 and then competed HS from National Open Schooling in 2000.

“The Supreme Court’s decision will give hope to a lot of such candidates who have still now kept their dreams alive. I will extend all possible help to him to see Halder coming out with flying colours,” said Dr. Maity, a former teacher at SSKM.

 

This entry was posted in News. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Latest News

NOTICE BOARD – LAST PORTION OF WRITE UP

11-10-2017 KANPUR: The IIT-Kanpur senate on Monday suspended 22 second-year B.Tech students for a period ranging from one to three years for ragging. Sixteen students were suspended for three years, and six for a year The Union health ministry will once again … Continue reading


Last minute litigations; SC for guidelines on med admissions /Millennium  POST SC rejects ICARE’s plea to reverse MCI decision to debar college Team MP  23 Sep 2017 /Madras High Court issues gag order on ministers over NEET DECCAN CHRONICLE. Sep 23, 2017 / MCI clerk and Assessor, an Army Colonel arrested for Bribery  September 18, 2017 / MCI nod for foreign univ despite negative NEET marks /Madras High Court directs Tamil Nadu government to pay compensation to medicos/Exemption from NEET is the policy decision of the State government, says Sengottaiyan / Ensure no agitation takes place over NEET, Supreme Court tells Tamil Nadu/Letter to His Excellency the President of India  Dated – 21-08-2017 Millennium Post NEET: 97 % MBBS seats have been bagged by students who wrote papers in English PRADIP CHATTERJEE  11 August 2017 | New Delhi

NEET papers to be same for all languages: Javadekar /Puducherry seeks three years exemption from NEET JULY 22, 2017 /NEET jitters for Bengali medium students as number drops drastically this academic session- 20 July 2017 11:31 PM
Continue reading


17-08-2017   কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার গৌতম পাল/Bartaman 14-08-017  বাংলা মাধ্যমের স্বার্থ দেখতে চাপ বাড়ল রাজ্যের উপর তামিলনাড়ু ১ বছর নিটের বাইরে, সায় দিল কেন্দ্র, আসছে অর্ডিন্যান্স/ডাক্তারি পাঠ্যক্রমের মানচিত্রে নিজভূমে পরবাসী বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা ! এই সময় , Tue, 25 Jul 2017/নিট: রাজ্য সরকারি মেডিকেল কলেজে বাংলা মাধ্যম পড়ুয়ারা পেলেন মাত্র ৭ শতাংশ আসন/মেডিকেলে ভরতির ভেরিফিকেশনের নামে তিন কলেজে চরম বিশৃঙ্খলা, ক্ষুব্ধ পড়ুয়া ও অভিভাবকরা শুক্রবার ১৪ জুলাই ২০১৭ /2 of 3 state NEET qualifiers clear counselling cut-off , Jul 14, 2017/কলকাতা – বাংলার ডাক্তারি পড়ুয়াদের বঞ্চিত করছে খোদ মমতারই দফতর

Bartaman patrika 05-09-2017 ডোমিসাইল ইস্যুতে আদালতের দ্বারস্থ রাজ্যের পড়ুয়ারা নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবিলম্বে ডোমিসাইল ফরম বি পূরণ করে রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল ও ডেন্টাল আসনে ভিন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের ভরতি বাতিলের আরজি জানিয়ে মামলা হল কলকাতা হাইকোর্টে। আইনজীবী মহম্মদ আলাউদ্দিন মণ্ডল ভারপ্রাপ্ত … Continue reading


UN Rally by American Tamil Diaspora Demand End to NEET and Justice for Anitha / HS toppers urge scrapping NEET; want states to conduct own exams Team MP |  5 Sep 2017 /After SC orders, MP cancels medical  & dental admissions ,TNN | Updated: Aug 30, 2017,

Livemint 15 August 2017|E-Paper NEET: Congress wants ordinance for separate merit list of Gujarat students/Centre agrees to exempt Tamil Nadu from NEET for a year if it passes an Ordinance / NEET 2017: Allahabad HC asks CBSE to revise marks awarded to all candidates, decide rank accordingly , Aug, 11 2017 
Continue reading


Number of visitors